শান্তনু দে: ·
পাঁচবছর আগেও ফ্রান্সের সংসদ নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে বামপন্থীদের মিলিত ভোটের হার ছিল ২৫.৪৯ শতাংশ। এবারে ২৫.৬৬ শতাংশ।
এক শতাংশও বাড়েনি!
তবে কেন ফরাসী বামপন্থার উত্থান দেখছে দুনিয়া?
ঠিকই, ভোটের অঙ্কে তেমন কোনও চমক নেই। আবার আছে। সেবারে বামপন্থীরা ছিল দ্বিধাবিভক্ত। এবারে একজোট। আছে জোটের বিকল্প কর্মসূচী।
দু’মাস আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে তিন-নম্বরে (২১.৯৫ শতাংশ) ছিলেন বামপন্থী প্রার্থী জ্যা লুক মেলেশোঁ। মাত্র ১.২০ শতাংশ ভোটের জন্য চূড়ান্ত দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। কিন্তু হেরেও হারিয়ে যাননি। নিজের দল ‘নয়া উদার ঝোঁকের কাছে মাথা নত করবে না ফ্রান্স’-সহ ফ্রান্সের কমিউনিস্ট পার্টি (পিসিএফ), মধ্যপন্থী সোস্যালিস্ট পার্টি এবং গ্রিন-দের নিয়ে মেলোশোঁ তৈরি করেন নতুন বাম জোট। নিউ ইকোলজিক্যাল অ্যান্ড সোস্যাল পিপলস ইউনিটি (নুপেস)। সোস্যালিস্ট পার্টি আছে বলে ট্রটস্কিবাদীরা জোটে যোগ না দিলেও, জোটের বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে।
একজোট বামপন্থীরা, সঙ্গে বিকল্প কর্মসূচী। আর তাতেই সাফল্য। যা বহু প্রার্থীর জন্য খুলে দিতে পারে সংসদের দরজা। ইপসস-সোরাপের সমীক্ষায় আগামী রবিবার চূড়ান্ত দফার ভোটের শেষে বাম জোট পেতে চলেছে ১৫০-১৯০টি আসন। যা বর্তমান সংসদে বামপন্থীদের মিলিত আসন সংখ্যার (৬০) চেয় তিন-গুণ বেশি।
প্রচারে কী বলেছে বাম জোট? মাসিক ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে করা হবে ১৫০০ ইউরো। রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর মডেলে চুক্তিতে নিয়োগ নয়। রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রে ৮,০০,০০০ মানুষের হবে স্থায়ী নিয়োগ। ধনীদের জন্য বসানো হবে সম্পদ কর।
ম্যাক্রঁর দলের সমর্থনের হার ২৫.৭৫ শতাংশ। বাম জোটের চেয়ে মাত্র ০.০৯ শতাংশ বেশি। দলের প্রার্থীরা এমনকি দু’মাস আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ম্যাক্রঁ যে ভোট (২৭.৮৫ শতাংশ) পেয়েছিলেন, তা-ও পাননি। ইপসস-সোরাপের সমীক্ষায় দল পেতে চলেছে ২৫৫-২৯৫টি আসন। তবে সংসদে গরিষ্ঠতা থাকবে না বলেই অনেকের আশঙ্কা।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’নম্বরে ছিল যে নব্য ফ্যাসিবাদী দল ন্যাশনাল রালি (আরএন), তাদের সমর্থনের হার ১৮.৯ শতাংশ। পেতে পারে ২০-৪৫টি আসন। দক্ষিণপন্থী দ্য রিপাবলিক পেয়েছে ১১.৩ শতাংশ।
সবমিলিয়ে ফ্রান্সে বাম জোটের উত্থান ঝাঁকুনি দিতে পারে ইউরোপে নয়া উদারবাদের ভিতকে।-লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
মোঃ মাহফুজুর রহমান:একটা সময় ছিল গ্রামের অনেক কৃষক সাদা কাগজে টিপসই দিয়ে ভিটেমাটি হারিয়ে পথের ফকির হয়ে যেত । আবার অনেকে ঋণ না নিয়েও ঋণের ফাঁদে পড়তো । কারণ তারা ছিল নিরক্ষর । মানুষের অজ্ঞতার সুযোগকে কাজ ...
এ এম ইমদাদুল ইসলাম:তরুণ বয়সে যে হাত লাঙল ধরেছিল, বার্ধক্যেও সেই হাতেই এখন ধরা থাকে একটি প্লাস্টিকের কার্ড। দেখতে সাধারণ, কিন্তু এর ভেতরে জমা আছে এক কৃষকের পরিচয়, তার জমির হিসাব, প্রাপ্য ভর্তুকি এবং ভব ...
মোঃ কাওসার হোসেন:বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের বহুবার সভাপতি—রাহাদ সুমন। কখনো নির্বাচনের মাধ্যমে, কখনোবা সমঝোতার ভিত্তিতে। এতবার নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, মেধা, গ্রহণযোগ্যতা ...
নিকোলাস বিশ্বাস:নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বিশ্বকে এমন এক বাস্তবতার কথা গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যা আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনো সীমান্ত মানে না। এগুলো জাতীয় সীমান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments