নেত্রকোনা প্রতিনিধি: বারহাট্টা উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী গোপীনাথ বিগ্রহ মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মন্দিরের সেবায়েত দিপায়ন দত্ত মজুমদার ববিসহ সংশ্লিষ্টরা নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে অবস্থিত শ্রী শ্রী গোপীনাথ বিগ্রহ মন্দিরের স্বত্বভুক্ত দেবোত্তর সম্পত্তি ভুলবশত সরকারের নামে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে ‘খ’ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে হাসনাবানু নামে এক ব্যক্তি ওই জমি বিআরএস রেকর্ডভুক্ত করেন বলে দাবি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই রেকর্ডের ভিত্তিতে আবুল হাসেম, তার ছেলে মো. মাসুদ মিয়া, মাজাহারুল ইসলাম, এমদাদুল হক ও শহীদ মিয়া জমিটি নিজেদের দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন।
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুল বিআরএস রেকর্ড বাতিল এবং জমির প্রকৃত স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে নেত্রকোনা জেলা জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন। পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও মামলা করা হলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ নভেম্বর আবুল হাসেমের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রসহ মন্দিরের জমিতে প্রবেশ করে পুরাতন ইটের সীমানা প্রাচীর ও টিনের ঘরে হামলা চালায় এবং দখলের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে মন্দিরের আধিদার কোরবান আলীসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে এ ঘটনায় বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।
এছাড়া গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে আবারও কয়েকজন ব্যক্তি দেবোত্তর সম্পত্তির কিছু বাঁশ কেটে নিয়ে যায় এবং অস্থায়ী ঘর ভাঙার প্রস্তুতি নেয় বলে অভিযোগ করেন সেবায়েতরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে এবং চলমান দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষা ও সেবায়েতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবুল হাসেম বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ। যে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, সেটি মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি নয়। জমির বৈধ কাগজপত্র আমাদের নামে রয়েছে। অভিযোগকারীরা যদি প্রমাণ করতে পারেন যে এটি মন্দিরের সম্পত্তি, তাহলে আমরা স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে দেব।”
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ নকল সিগারেট জব্দ করেছে র্যাব। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত ৩টা থেকে সকাল ৭ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা করেছে বিএনপি।শনিবার উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এই সভ ...
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের সেরা প্যানেল আইনজীবী হিসেবে সম্মাননা স্মারক অর্জন করেছেন বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান মো: তারিকুল ইসলাম।আইন পেশায় সততা, নিষ্ঠা, দূরদর্শিতা, মেধা , প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষ ...
পাভেল ইসলাম মিমুল রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী জেলা পরিষদের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, অসহায় ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হ ...
সব মন্তব্য
No Comments