ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ৮ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের দিবসটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত এই দিবসের এবার ৬০তম বার্ষিকী।
ইউনেস্কো এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘Literacy for People, the Planet and Prosperity’ অর্থাৎ ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। বাংলাদেশেও একই প্রতিপাদ্যে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এই প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য হলো সাক্ষরতাকে শুধু পড়া-লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানবকল্যাণ, পরিবেশ সচেতনতা, টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করা।
ইতিহাস ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট:
জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালে বিশ্বে সাক্ষরতার হার ছিল ৬৫ শতাংশ, বর্তমানে তা বেড়ে ৮৮ শতাংশের বেশি হয়েছে। তবে এখনও বিশ্বে প্রায় ৭৩ কোটি ৯০ লাখ তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্ক মৌলিক সাক্ষরতা দক্ষতা থেকে বঞ্চিত।
এবারের বৈশ্বিক মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেক্সিকোর চিয়াপাসে, ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর। সেখানে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক খালেদ এল-এনানি, বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রী, বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন এবং ৬টি ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশের চিত্র:
দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ এখনও ২২ শতাংশের বেশি মানুষ নিরক্ষর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ গতকাল সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ৫৮ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম চলছে। প্রথম ধাপে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৪ হাজার ৪৪০ জন ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরীকে ৪৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ১০০ ঘণ্টা সাক্ষরতা ও ৩৬০ ঘণ্টা দক্ষতা প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন চাকরির সংযোগ পেয়েছেন।
আজকের কর্মসূচি:
দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মিলনায়তনে আলোচনা সভা, র্যালি ও শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা সাক্ষরতাকে টেকসই উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে সবার জন্য মানসম্মত ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
স্টাফ রিপোর্টার: গ্যাসের সংকট কেটে গেলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার সচিবালয়ে সর ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হবে না বলে ঢাকাকে জানিয়ে দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম বায়ান্ন নিউজে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার বর ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ কল পেয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চে অসুস্থ এক নারীকে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।মঙ্গলবার সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যা ...
স্টাফ রিপোর্টার: মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ...
সব মন্তব্য
No Comments