সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় আদালতের ১৪৪ ধারা বাস্তবায়নে গিয়ে বাধা ও মারপিটে আহত হয়েছে এক পুলিশ কর্মকর্তা। গত রোববার সকালে উপজেলার বিলদহরে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, সিংড়া উপজেলার চামারী ইউনিয়নের বিলদহর বাজারে মার্কেট নির্মাণ করে ওসমান গনি ফরদু ও শাহাবুদ্দিন নামের দুই সহোদর। তাঁরা মহিষমারী গ্রামের মৃত আছির উদ্দিন ওরফে তুলাই মোল্লার ছেলে। সীমানা সংক্রান্ত বিরোধে ২০২০ সালে নাটোর আদালতে মামলা করেন শাহাবুদ্দিন এর ছেলে রফিকুল ইসলাম। মামলার নম্বর ২৭৫পি/২০২০।
আদালত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ওসমান গনি ফরদুকে কাজ করতে নিষেধ করা হয়। সে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখে। এ দিকে ১০ সেপ্টেম্বর পুনরায় আদালত উভয় পক্ষের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আদালতের আদেশ অমান্য করে ২৪ সেপ্টেম্বর কাজ শুরু করলে নিষেধ করা হয়। পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর ভোর হতে পুনরায় কাজ শুরু করে ওসমান গনি।
পরে সিংড়া থানা পুলিশের এএসআই সানোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে এসআই শিবলী জামান, এসআই মাহবুব কবির, এসআই তবিবর রহমান ও এএসআই আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করতে নিষেধ করলে ওসমান গনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে এএসআই সানোয়ার হোসেনের শার্টের কলার ধরে ধস্তাধস্তি করে এবং লোহার রড দিয়ে বাম পায়ে আঘাত করে ওসমান গনি। এসময় তাঁকে আটক করে পুলিশ। আটক ওসমান গনির বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা প্রদান, আক্রমণ ও মারপিট জখম করার অপরাধে সিংড়া থানায় ১৮৮, ৩৫৩, ৩৩২ ও ৩৩৩ ধারায় মামলা দায়ের করেন এসআই মাহবুব কবির। মামলা নং ৩৮, তাং ২৬.০৯.২১।
গ্রেফতার ওসমান গনিকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠায়।
সোমবার সকাল ১১টায় বিলদহর বাজারে এএসআই সানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেন গ্রেফতার ওসমান গনির পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।
ওসমান গনির স্ত্রী আর্জিনা বেগম বলেন, আদালত ১৪৪ ধারা জারি করলেও ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম মৃধার নির্দেশে কাজ করি। পুলিশ কাজ বন্ধ করতে বললে না শুনায় আমার স্বামীকে মারধর করে। এএসআই সানোয়ার হোসেন টাকা দাবি করলে ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে, আরো এক লক্ষ টাকা দাবি করেছে সে।
এএসআই সানোয়ার হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ওসমান গনির আঘাতে আহত হয়েছি। পরে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁকে কোনো প্রকার মারধর করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির আনিত অভিযোগ মিথ্যা। তাঁরা কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না।
এ বিষয়ে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর-এ-আলম সিদ্দিকী বলেন, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তাদের লাঞ্চিত করে ওসমান গনি। পরে তাঁকে আটক করা হয়। আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে কাজ করা ও পুলিশ কর্মর্কতাদের লাঞ্চিত করার বিষয়টি আঁড়াল করতে তাঁরা একটি বানোয়াট ও মিথ্যা মানববন্ধন করেছে।
স্টাফ রিপোর্টার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার একটি কার্যকর ও স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করবে। তিনি বলেন, দেশের সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্ত ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছ ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হবে এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদে ...
সব মন্তব্য
No Comments