স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার ৫ জুন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে ‘লেটার অব ক্রিডেন্স’ গ্রহণ করেছেন। শিগগিরই তিনি ঢাকায় এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। ঢাকার ভারতীয় হাই কমিশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ২৭ এপ্রিল এক বিবৃতিতে জানায়, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয় ভার্মাকে ইতিমধ্যে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদীর এই নিয়োগ দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিন দশকেরও বেশি সময় পর ভারত প্রথমবারের মতো কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত পদে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে পাঠাচ্ছে। এর আগে ঢাকায় সবসময় পেশাদার কূটনীতিকরাই হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক সম্মতি চাওয়া হয়েছিল এবং সম্মতি পাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।
দীনেশ ত্রিবেদী পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ভারতের রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একসময় কংগ্রেসের সদস্য থাকলেও ২০২১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। বিজেপির জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্য ত্রিবেদীকে অভিনন্দন জানিয়ে এক্সে লেখেন, বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা শ্রী দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ায় অভিনন্দন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঝরঝরে বাংলা বলতে পারা, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ—এসব বিবেচনায় দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তিনি দক্ষ সেতার বাদক হিসেবেও পরিচিত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এমন সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হাইকমিশনার করে পাঠানোকে মোদি সরকারের ‘রাজনৈতিক কূটনীতি’র অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। নতুন সরকারের সময় সম্পর্কে উন্নতির ইঙ্গিত মিলছে। এই প্রেক্ষাপটে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগকে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে নরেন্দ্র মোদি সরকারের ‘বড় চাল’ হিসেবে অভিহিত করছেন অনেকে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদী শিগগিরই ঢাকায় গিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন পর প্রতিবেশী কোনো দেশে রাজনৈতিক নিয়োগ দেওয়ায় বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্টাফ রিপোর্টার: সারা দেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। রোববার (৮ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের (বিবিএন) মধ্যে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অভিযোজন অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয় ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রয়াত স্বজনের মুখচ্ছবি। কেউ পরিষ্কার করেছেন সমাধি, কেউ ব্যস্ত ছিলেন মঠ ধোয়া-মোছায়। কোথাও নতুন রঙের প্রলেপ, আবার কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সম ...
সব মন্তব্য
No Comments