বিশেষ প্রতিনিধি: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে একতরফা করতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্রিজাইডিং ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মোংলা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বি এক প্রার্থী।
আজ রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন মোংলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (আনারস প্রতীক)। অভিযোগে তিনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের নির্দেশ দিলেও বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ মোংলা উপজেলা নির্বাচন অফিসার আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চিংড়ি প্রতীকের আবু তাহের হাওলাদারের সহিত শখ্যতার মাধ্যমে তার মনোনীত প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। তারা হলেন, বিশ্বজিৎ মন্ডল, প্রভাষক, মোংলা সরকারি কলেজ, মোংলা, পুষ্পজিৎ মন্ডল, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মোংলা, বাগেরহাট, আ, ই, শ, ম বাকী বিল্লাহ, প্রভাষক, মোংলা সরকারি কলেজ, মোংলা, শেখ আনোয়ার হোসেন, প্রভাষক, মোংলা সরকারি কলেজ, মোংলা, মো. কামাল উদ্দিন, প্রভাষক, মোংলা সরকারি কলেজ, মোংলা, মনোজ কান্তি বিশ্বাস, প্রভাষক, মোংলা সরকারি কলেজ, মোংলা, মো. জাফর রানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার, মোংলা, মিলন ফকির, সহকারী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, মোংলা উপ-বিভাগ, গুরুদাস বিশ্বাস, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মোংলা, সোহান আহম্মেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মোংলা, নির্বাচনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা সকলেই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চিংড়ি মাছ প্রতীকের নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। ওই সকল কর্মকর্তাদের দিয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন একতরফা নির্বাচনের নকশা তৈরী করছেন। সাবেক মোংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সরোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে মোংলা সরকারি কলেজ ও বঙ্গবন্ধু মহিলা সরকারি কলেজর প্রভাষকগণ সরাসরি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনের সাথে জড়িত। তাই উক্ত নির্বাচনে উক্ত কলেজ দুটি'র প্রভাষকগণকে নির্বাচনি দায়িত্ব দিলে তারা পক্ষপাতিত্ব মূলক নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। অভিযোগে বলা হয়, মোংলা উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রায় ৬ মাস পূর্বে মোংলা হতে বদলির আদেশ প্রাপ্ত হন। উক্ত বদলির আদেশ স্থগিত করে উপজেলা নির্বাচনে কারচুপি করার পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসাবে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবু তাহের হাওলাদার উপর মহলে তদবীর করে উক্ত নির্বাচন কর্মকর্তাকে মোংলাতে বহাল রেখেছেন। যে কারণে উক্ত নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সর্বাত্মকভাবে আবু তাহের হাওলাদারের পক্ষপাতিত্ব করবেন এটাই স্বাভাবিক, যা তদন্তে পাওয়া যাবে।
এই অবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এ বিষয়ে সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দিয়ে ল্যাবের বিভিন্ন পরীক্ষা করানোর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে প্যাথলজি বিভাগে টেকনোলজিস্টদের বিরুদ্ধে। ...
বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে মো. রবিউল ইসলাম (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।বুধবার দুপুরে উপজেলার ৫ সদর ইউনিয়নের ঝালরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই দূর্ঘটনা ঘটে।মারা যাওয়া রব ...
রাহাদ সুমন, বরিশাল: বরিশালের বাবুগঞ্জে বালু ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই বিএনপি নেতাকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে এলাকাবাসী। পরে লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর মঙ্গলবার, ১৬ জু ...
পাভেল ইসলাম মিমুল, রাজশাহী: রাজশাহীকে একটি সুন্দর, বাসযোগ্য এবং সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম ...
সব মন্তব্য
No Comments