ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্য বা দেশে ফেরার ঘোষণার সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে অবস্থিত অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ‘ইন্ডিয়া অ্যান্ড ব্রিকস: দ্য ওয়ে অ্যাহেড’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। সেখানে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থান ও বিভিন্ন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যা বলছেন তা সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত এবং বাংলাদেশের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিষয়।
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ভারত সরকারের অবস্থান আগেও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকার বা নয়াদিল্লির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে সাবেক এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভিত দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতির স্বার্থেই ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক ও সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ভারত সর্বদা তার সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে বিশ্বাসী এবং দুই দেশের জনগণের স্বার্থেই এই অংশীদারি আরও জোরদার হওয়া উচিত।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা আরও মন্তব্য করেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গেই কাজ করা স্বাভাবিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এর আগে একাধিকবার একই অবস্থান জানিয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দু জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার আয়োজন এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই, এমনকি সরকার সেই বক্তব্য সমর্থনও করে না।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে ভারত জানিয়েছিল, শেখ হাসিনার মন্তব্য “ব্যক্তিগত পরিসরে করা, যাতে ভারতের কোনো ভূমিকা নেই”।
গত ৫ আগস্ট দক্ষিণ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্য দেওয়ার কথা ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে নয়াদিল্লি আবারও জানায়, “সরকারের এর সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং ওই ফোরামে যে কোনো মতামত প্রকাশিত হতে পারে, সরকার তা সমর্থন করে না”।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। তার বক্তব্য প্রচারে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দলের নাম কিংবা তাঁ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় জিপিও'র সামনে শহীদ কর্নেল তাহের ...
ময়মনসিংহ অফিস: ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজা বাড়িতে নেই এবং তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়ে ...
সব মন্তব্য
No Comments