স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া সাজা ও বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলা করা। রোববার (৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “আমরাও চাই শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসুন এবং নিজের মামলার পক্ষে নিজেই আইনি লড়াই করুন। সাহস থাকলে দেশে এসে জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার মোকাবিলা করুন।” ভারতে অবস্থান করে দেশে ফেরার ঘোষণাকে তিনি ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মো. আমিনুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও বহু মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কয়েকটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষা চলছে। বিশেষ করে শাপলা চত্বর মামলাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন। এরই মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তাই বাংলাদেশে এসে এসব বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মোট ২৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, আমির হোসেন আমু, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ জুলাই হত্যাযজ্ঞ-সংশ্লিষ্ট ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো দ্রুত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একাধিক তদন্তে দেশে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। যাদের বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে, প্রাথমিক তদন্তে তারা স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় দেখা গেছে, পুলিশ যখন অস্ত্র বণ্টন করতো তখন বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে দেখানো হলেও বাস্তবে অস্ত্রগুলো দেওয়া হতো আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হাতে। তারা পুলিশের পাশাপাশি এসব অস্ত্র ব্যবহার করতেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা প্রায় দুই বছর ধরে ভারতের দিল্লিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি দুটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজেদের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত করতে বড় ধরনের যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যম ...
বিশেষ প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন ...
ডেস্ক রিপোর্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্বশীল ও বৈশ্বিক বহুপা ...
সব মন্তব্য
No Comments