স্টাফ রিপাের্টার: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, আজ আমাদের কারও মনে কোনো অভিমান রাখার সুযোগ নেই। কেউ মনোনয়ন পেয়েছে, কেউ পায়নি এসব ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্য ছাড়া কোন বিকল্প নেই সামনে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।
তিনি বলেন , আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে দেখতে হলে এখন থেকেই কঠোর পরিশ্রমে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
রবিবার ১১ জানুয়ারি রাজধানীর ভাষানী মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চ এর উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
বুলু বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। যারা বিএনপির সময়ে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আজ ব্যাংক, বীমা, বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কুল-কলেজের মালিক হয়েছেন, তারাই আজ আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এমন প্রার্থীও রয়েছে, যার আয় মাসে এক লাখ টাকা নয়, অথচ সে প্রতিদিন চার-পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় করছে। এই টাকার উৎস আমরা সবাই জানি।
বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, এই ছায়া শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের কঠোরভাবে লড়তে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঐক্যের মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে। ঐক্য ছাড়া কোনো পথ নেই।
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “তারেক রহমান বলেছেন ঐক্য, ঐক্য, ঐক্য আর সবার আগে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে বাংলাদেশ নামটাই বিশ্বে আসত না। যারা ১৯৭১ অস্বীকার করে, তারা মূলত বাংলাদেশকেই অস্বীকার করে।
সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, “এই জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও বিএনপির সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন। আমাদের ৬৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে এমন কেউ নেই, যে জেল খাটেনি। গত ১৭ বছরে দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, ২৫ থেকে ৩০ হাজার পঙ্গু হয়েছেন এবং লাখো পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, “আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকি, তাহলে সামনে আরও ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি হতে হবে।
বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও নেতৃত্বের কথা তুলে ধরে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, “দলমত নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণির মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করেছেন, চোখের পানি ফেলেছেন। তিনি কখনো ক্ষমতার মোহে আচ্ছন্ন হননি। অত্যন্ত অল্প বয়সে—প্রায় ৩৩ বা ৩৪ বছর বয়সে তিনি বিধবা হন। তখন তাঁর সামনে অনেক প্রলোভন ও প্রস্তাব ছিল, কিন্তু তিনি সেগুলোর কোনোটিই গ্রহণ করেননি।
তিনি আরও বলেন, “দেশের প্রয়োজনে, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এবং এ দেশের নারী সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। এবং এদেশের মানুষের নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করেছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ ইকবাল সহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
স্টাফ রিপাের্টার: বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক তথ্য জানানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই, বাংল ...
স্টাফ রিপোর্টার: গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ফের শ্রমিক বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারগ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ কর ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দলের নাম কিংবা তাঁ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় জিপিও'র সামনে শহীদ কর্নেল তাহের ...
সব মন্তব্য
No Comments