ডেস্ক রিপোর্ট: বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক কালের কণ্ঠে বিনা বেতনে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটির নামে প্রতরণার অবসান দাবি করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তারা বলেছেন, বিনা বেতনে বাধ্যতামূলক ছুটির কোনো বিধান দেশের কোনো আইনে নেই। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ বলেছেন, ১৬ মাস ধরে বিনা বেতনে ছুটিতে রাখা কর্মীদের ছুটিকালীন বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করে তাদের কাজে যোগদানের সুযোগ দিতে হবে অথবা আইনানুগভাবে চাকরির অবসান ঘটাতে হবে। কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এ দাবি না মানলে প্রয়োজনে কালের কণ্ঠ অফিস তথা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামনের সড়ক বন্ধ করে তাদের অবরোধ করা হবে।
২ অক্টোবর শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এমন হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন ডিইউজে সভাপতি।
কালের কণ্ঠ’র অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক আজাদুর রহমান চন্দনের নেতৃত্বে ওই কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সহ-সভাপতি এম এ কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম, সদস্য শাহজাহান সাজু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কবীর আলমগীর এবং কালের কণ্ঠর প্রেস সেকশনের কর্মী জসিম উদ্দিন।
কালের কণ্ঠ’র অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক আজাদুর রহমান চন্দন, বিশেষ প্রতিনিধি আশরাফ-উল-আলমসহ ৩৪ জন সাংবাদিক ও কর্মীকে গত বছর ১০ জুন মহামারিজনিত ‘লকডাউনের’ মধ্যে এক যোগে বিনা বেতনে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি দেওয়া হয়। প্রেস সেকশনেরও বিপুল সংখ্যক কর্মীকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এত দিনেও কাউকে কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া কাছাকাছি সময়ে উলেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মীকে পদত্যাগ করানো কিংবা চাকরিচ্যুত করা হয়। বিনা বেতনে ছুটিতে রাখা কয়েকজনকে বিভিন্ন সময়ে পাওনা পরিশোধ করার প্রলোভন দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হলেও দীর্ঘদিন কাউকে কোনো পাওনা দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় কালের কণ্ঠ’র চাকরিচ্যুত, পদত্যাগকারী ও বিনা বেতনে অনির্দিষ্টকাল ছুটিতে রাখা সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতাসহ যাবতীয় পাওনা আদায় এবং বিনা বেতনে বাধ্যতামূলকভাবে অনির্দিষ্টকালের ছুটি বাতিল করার দাবিতে গত ২৮ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন বিষয়টি সুরাহা করার জন্য কর্তৃপক্ষ আলোচনায় ডাকলে কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়। কিন্তু চাকরিচ্যুত ও পদত্যাগকারী কর্মীদের পাওনা ছয় কিস্তিতে পরিশোধ করার লক্ষ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর চেক হস্তান্তর করলেও বিনা বেতনে ছুটির বিষয়টি ফয়সালা করতে গড়িমসি করছে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ। কখনো বলে পরে সুরাহা করা হবে আবার কখনো বলে গত বছর যে তারিখে ছুটি দেওয়া হয়েছে সে দিন থেকে পদত্যাগ গণ্য করে পাওনা নিতে। কাউকে কাউকে পেছনের তারিখে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছে। এ অবস্থায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল।
স্টাফ রিপোর্টার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার একটি কার্যকর ও স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করবে। তিনি বলেন, দেশের সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্ত ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছ ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হবে এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদে ...
সব মন্তব্য
No Comments