ডেস্ক রিপোর্ট: আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এই বাণী প্রদান করা হয়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সাক্ষরতার অর্থ এখন আর শুধু পড়া, লেখা ও গণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল দক্ষতা, তথ্য ব্যবহারের সক্ষমতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, পরিবেশ-সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা। মানুষের উন্নয়ন, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সমৃদ্ধ অর্থনীতি - এই তিনের সংযোগস্থলেই আজকের সাক্ষরতার অবস্থান।
তিনি বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের কেন্দ্রে থাকে জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ। তাই বর্তমান সরকারের কাছে সাক্ষরতা শুধু নিরক্ষরতা দূর করার কর্মসূচি নয়, এটি মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি। আমাদের শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতাভিত্তিক, কর্মমুখী ও নৈতিক শিক্ষায় উত্তরণ।
শিক্ষা খাতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সকলের জন্য কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার দেশের ইতিহাসে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এই বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পাশাপাশি সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মানবিক ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাক্ষরতার পরবর্তী ধাপ হবে দক্ষতা, আর দক্ষতার লক্ষ্য হবে আত্মনির্ভরতা ও কর্মসংস্থান। তাই সাক্ষরতা কার্যক্রমকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তি শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষাবঞ্চিত নারী ও গৃহিণীদের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল সাক্ষরতার সুযোগ সম্প্রসারণের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ হতে হবে সবার জন্য। শিশু, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার মূলধারায় আনতে হবে। কাউকে পেছনে না রেখে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। একটি আধুনিক রাষ্ট্রের জন্য শুধু দক্ষ কর্মীই নয়, মানবিকতা এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধসম্পন্ন দায়িত্বশীল নাগরিকও বিশাল সম্পদ।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষা ও ডিজিটাল সক্ষমতা পৌঁছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
সবশেষে তিনি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। রোববার (৮ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের (বিবিএন) মধ্যে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অভিযোজন অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয় ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রয়াত স্বজনের মুখচ্ছবি। কেউ পরিষ্কার করেছেন সমাধি, কেউ ব্যস্ত ছিলেন মঠ ধোয়া-মোছায়। কোথাও নতুন রঙের প্রলেপ, আবার কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সম ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছিল বলে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ রয ...
সব মন্তব্য
No Comments