২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। একই সঙ্গে দুদকের সাম্প্রতিক অভিযোগের সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো সামঞ্জস্য নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
বুধবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বুধবার দুপুরে দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল এবং ১৫০ জনের পদায়নে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানান।
আসিফ মাহমুদের ব্যাখ্যা:
আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০২১ সালে ১০ম গ্রেডের ১১২ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ছাড়াই ৯ম গ্রেডের উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই আদেশ আদালতে চ্যালেঞ্জ হলে ২০২৫ সালে আদালত তা অবৈধ ঘোষণা করেন। সে সময় ১১২ জনের মধ্যে ৩৮ জন চলতি দায়িত্বে ছিলেন। বাকিরা ইতোমধ্যে অবসরে গিয়েছিলেন অথবা নিয়মিত পদোন্নতি পেয়েছিলেন। আদালতের রায় অনুসারে ওই ৩৮ জনকে চলতি দায়িত্ব বাতিল করে মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, আদালতের রায়ের কারণেই তাদের নবম গ্রেডের চলতি দায়িত্ব বাতিল করে দশম গ্রেডের মূল পদে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ওই ৩৮টি পদসহ বিদ্যমান শূন্য পদে পদোন্নতির জন্য পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। জ্যেষ্ঠতার তালিকা, সার্ভিস রেকর্ড, এসিআর ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার জন্য পিএসসিতে পাঠানো হয়। পিএসসি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই প্রক্রিয়ায় মন্ত্রণালয়ের নিজস্বভাবে কাউকে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ নেই। পিএসসি জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করে সুপারিশ করে এবং মন্ত্রণালয় সেই তালিকা অনুযায়ী পদোন্নতি দেয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, এই দুইটা প্রক্রিয়ার কোনটাতেই আমার ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ ছিল না। একটি আদালত, আরেকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। দুটি অভিযোগের কোনোটিতেই ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এগুলো সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়। এর মধ্যে একটি আদালতের নির্দেশে বাস্তবায়িত হয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোনো ফাইলেই আমার স্বাক্ষর নেই।
রাজনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগ ও আইনি হুঁশিয়ারি:
দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, বিরোধী দলকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনকে আবারও রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার জন্যই বিএনপি সরকার দুদকের সংস্কার প্রক্রিয়া বাতিল করেছে। শক্তিশালী যুক্তি বা প্রমাণ ছাড়া দুর্নীতির এ ধরনের অভিযোগ মূলত বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে দমন করার জন্যই করা হচ্ছে।
দুদক মুখপাত্রের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দুদকের মুখপাত্র যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষ্কার না করেন, তাহলে আমি আইনি ব্যবস্থা নেব। মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সত্যতা উদঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত আছি এবং প্রয়োজনীয় সব নথি ও তথ্য পর্যালোচনার আহ্বান জানাই।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দলের নাম কিংবা তাঁ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় জিপিও'র সামনে শহীদ কর্নেল তাহের ...
ময়মনসিংহ অফিস: ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজা বাড়িতে নেই এবং তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়ে ...
সব মন্তব্য
No Comments