স্টাফ রিপোর্টার: শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর ভূমিকা আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, সংঘাত, সহিংসতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে নারীরা অসমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
আজ সোমবার ধানমন্ডি রায়ের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তারা। নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় তৃণমূল নারী নেত্রী, কমিউনিটি ফোরামের প্রতিনিধি, যুব সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বিএনপিএস’র পরিচালক শাহনাজ সুমী বলেন, শুধু যুদ্ধ বা যুদ্ধ পরবর্তীকালে নয় নারী ও মেয়েরা সবচাইতে বেশি সহিংসতার শিকার হয় নিজের পরিবারেই। তাই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের গৃহীত ১৩২৫ রেজল্যুশনটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কেননা এতে প্রথমবারের মতো শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জেন্ডার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগে নারীর ওপর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারীর সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।
কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব এবং সরকারের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা। এ বিষয়ে বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এর কার্যকর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। যে কোনো পরিস্থিতিতে, নারীর প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা বন্ধ করে, সাইবার ক্রাইম বন্ধ করে এবং নারীর প্রতি বৈষম্যপূর্ণ আইন ও নীতি বাতিল করে নারীর প্রতি সম অধিকারভিত্তিক আইন প্রণয়ন করতে হবে।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন নাসরিন বেগম। দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থাপনা, উন্মুক্ত আলোচনা, দলগত কাজ ও প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সক্রিয়ভাবে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তার স্থানীয়করণের প্রাসঙ্গিকতা এবং গুরুত্ব সম্পর্কে মতবিনিময় করেন। নিজ নিজ এলাকায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
মহসিন মিঞা লিটন, বরিশাল অফিস: গত শনিবার, ৯ মে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে আয়োজিত মতব ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও সংযোজন করে যুগোপযোগী করা হবে। মন্ত্রী এ সময় পুলিশ বাহিনীকে জনপ্রত্যাশা ও জনআকাক ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুলিশকে নিজেদের স্বার্থে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন ব্যবহার করতে না পারে। রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আজ পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:“পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্ ...
সব মন্তব্য
No Comments