স্টাফ রিপোর্টার: ‘থ্যালাসেমিয়া অদৃশ্য আর নয়, অজানাদের খুঁজি ও সহযোগিতার হাত বাড়াই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পালিত হয়েছে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জনসচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়।
আজ ৯ মে ২০২৬, শনিবার বিএমইউর বি-ব্লকের সম্মুখ প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এ সময় তিনি বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।
হেমাটোলজি বিভাগ, পেডিয়াট্রিক হেমাটো-অনকোলজি বিভাগ এবং ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, ট্রেইনি, শিক্ষার্থী, রোগী ও তাঁদের অভিভাবকরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো স্ক্রিনিং এবং নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের কোনো বিকল্প নেই। রোগটি প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএমইউর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আমিন লুৎফুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আদনান হাসান মাসুদ।
এছাড়া পেডিয়াট্রিক হেমাটো-অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল করিম, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আয়েশা খাতুন এবং হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) নাসরীন আক্তার বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তরোগ। বিয়ের আগে স্ক্রিনিং, যথাযথ সচেতনতা ও সময়মতো রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এর বিস্তার অনেকাংশে কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা ও নিরাপদ রক্তের সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৬ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪৮৯ জন। ১৫ মার্চ থে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১২ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৮২ জন। ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৩৮ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৮৬ জন। ...
স্টাফ রিপোর্টার; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার।মন্ত্রী আজ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর ...
সব মন্তব্য
No Comments