স্মরণ সভা
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের আপসহীন বিপ্লবী নেতা কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর জীবন ও সংগ্রামকে “তাত্ত্বিক দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বক্তারা। বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক শোকসভায় তাঁরা এ মন্তব্য করেন।
শোকসভাটির আয়োজন করে একটি জাতীয় কমিটি, যার আহ্বায়ক ছিলেন ডাঃ এম. জাহাঙ্গীর হোসেন। সভার শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং প্রয়াত নেতার জীবনী পাঠ করেন তফাজ্জল হোসেন।
শোকসভায় বক্তব্য দেন বিডি রহমত উল্লাহ, মনসুর হাবীব, ডা. হারুন অর রশিদ, হাসান ফখরী, চৌধুরী আশিকুল আলম, খলিলুর রহমান, শ্যামল কুমার ভৌমিক, রহিমা জামাল, কৃষ্ণকলি, জাফর হোসেন, জেবুন্নেছা, মোজাফ্ফর আহমেদ বাবু এবং মনসুরুল হাই সোহান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শাহজাহান কবির ও প্রকাশ দত্ত।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা ও সংঘাত—বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ, ফিলিস্তিনে আগ্রাসন এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা—বিশ্বকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট ও বেকারত্ব বৃদ্ধিতে জনগণের অসন্তোষ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিক-কৃষকের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদারের আহ্বান জানান তাঁরা।
বক্তারা কমরেড আব্দুর রউফের সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরো সদস্য। ১৯৫১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ফারাকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছাত্রজীবনেই বিপ্লবী রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ব্যক্তিগত জীবন-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে প্যারালাইজড হন। এরপর দীর্ঘ চিকিৎসার পর জীবিত থাকলেও নিম্নাঙ্গ অচল হয়ে যায়। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি প্রায় ৫৫ বছর ধরে দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনে তাত্ত্বিক ও সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিভিন্ন মতাদর্শিক বিতর্কে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং মার্কসবাদ-লেনিনবাদের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। দলীয় নেতৃত্বেও তিনি দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘদিন নানা জটিল রোগে ভোগার পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর খুলনায় তাঁকে দাফন করা হয়।
স্টাফ রিপাের্টার: বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক তথ্য জানানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই, বাংল ...
স্টাফ রিপোর্টার: গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ফের শ্রমিক বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারগ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ কর ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দলের নাম কিংবা তাঁ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় জিপিও'র সামনে শহীদ কর্নেল তাহের ...
সব মন্তব্য
No Comments