জাকারিয়া আজাদ বিপ্লব: বরিশাল অঞ্চলের অস্তমিত নক্ষত্র, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, যার সৃষ্টিশীল হাতে গড়ে উঠেছে বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজ সহ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তিনি আর কেউ নন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর স্নেহ ধন্য বরিশালে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের নয়নের মণি, শেরে ই বাংলা পিতৃভূমি পূন্য ভূমি চাখারের সন্তান, অধ্যক্ষ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম জাকির
জন্মঃ
১২ আগষ্ট ১৯৪৬ খ্রিঃ, ফজরের নামাজের সময় সূর্য উদয়ের সময়, পিতা সৈয়দ আলতাফ হোসেন, মাতা মোসামাৎ আমেনা খাতুনের কোল জুড়ে, ঝালকাঠির শিরযুগ গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
স্বরনে চাখারে সন্তান জাকারিয়া আজাদ বিপ্লব। সৈয়দ আমিনুল ইসলাম জাকির স্যারের স্নেহ ধন্য ছাত্র।
শিক্ষা ও কর্মময় জীবন :
১৯৬১ সালে চাখার ফজলুল হক ইনসটিটিউশন থেকে মেট্রিক পাশ করেন ৷ চাখার কলেজ থেকে আই এ পাশ করে
১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ ইতিহাস বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন ৷
সেখান থেকে ১৯৬৬ ও ১৯৬৭ সালে যথাক্রমে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন ৷
১৯৬৭ সালে চাখার ফজলুল হক কলেজে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করন ৷
১৯৫৮ সালে স্কুলে পড়ার সময় ছাত্রলীগে যোগ দেন ৷ অনার্স পড়াকালীন ইকবাল হল ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগ থেকে বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল এর সাথে নির্বাচন করেন ৷
১৯৬৫ সালে ইতিহাস বিভাগের সেমিনার সেক্রেটারি নির্বাচিত হন ৷
১৯৬৭ সালে ইতিহাস বিভাগে ছাত্রলীগের মনোনীত প্রর্থী হিসাবে ভিপি পদে নির্বাচন করেন ৷ চাখার কলেজে যোগদানের পর থেকে অত্র এলাকায় ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে ৷
১৯৬৭ সালে কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ জি এসসহ মোট ৭টি আসনে জয়লাভ করেন জাকির ৷
১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করে ৷ তাঁরই প্রচেষ্টায় বরিশালের বানারীপাড়া , উজিরপুর , স্বরূপকাঠী সহ প্রায় সকল এলাকায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তা লাভ করে ৷
১৯৬৮ সালে তিনি বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন এবং তাঁর মৃত্যুর দিন পর্যন্ত একটানা ওই পদে আসিন থাকেন ৷ তাঁর জনপ্রিয়তার জন্য কোনদিন সভাপতির পদে কেউ চেষ্টা করেননি ৷
তিনি ১৯৭৯ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী এ কে ফায়জুল হকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৷ তিনি বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন ৷ তিনি শিকারপুর শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজেরও অধ্যক্ষ ছিলেন ৷
প্রয়ান :
২০১১ খৃষ্টাব্দের ১৮ সেপ্টেম্বর দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইহকাল ত্যাগ করেন৷
মৃত্যুকালে স্ত্রী , একমাত্র কন্যা , অনুজ ভাই ও দুই বোন রেখে যান ৷ তাঁর একবোন তাঁর মৃত্যুর পূর্বেই মারা যান ৷ তা্ঁরই প্রচেষ্টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চাখারে এসেছিলেন ১৯৭০ সালে ৷
বঙ্গবন্ধু স্নেহ ভালোবাসায় জাকরা বলে ডাকতেন ৷ তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ছিলেন প্রায় ১১বছর পর্যন্ত ৷
তা্ঁর মৃত্যুর পর প্রথম জানাযা হয় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ৷ সেখানে তোফায়েল আহমেদ ও সৈয়দ শহিদুল হক জামাল সহ আওয়ামী লীগ ,বিএনপি, জাতীয় পার্টির অনেক নেতা- কর্মী উপস্থিত ছিলেন ৷
বানারীপাড়ায় তাঁর আরও ৪টি জানাযা অনুষ্ঠিত হয় ৷ সেখানে সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হন ৷জন্মধাত্রী মায়ের পাঁশে চাখারে নিজ বাড়ীতে চির নিদ্রায় শায়িত আছেন।
তাহমিদা খানম: আমরা যে শ্রেণিকক্ষের সঙ্গে পরিচিত—সামনে একজন শিক্ষক, পেছনে সারিবদ্ধ ডেস্কে বসে থাকা শিক্ষার্থীরা, নির্দিষ্ট সময়সূচি, পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা—তা কি কেবল শিক্ষার্থীদের শেখানোর সুবিধার্থে তৈরি ...
সামীনা জান্নাত:বাংলার প্রকৃতি চিরকালই ঋতুবদলের রঙে রঙিন। ষড়ঋতুর এই দেশে এক ঋতু বিদায় না নিতেই আরেক ঋতু এসে নিঃশব্দে জায়গা করে নেয় প্রকৃতির আঙিনায়। শরতের কাশফুলের শুভ্র সৌন্দর্য ফিকে হওয়ার সাথে সাথে প ...
মানিক লাল ঘোষ:বাঙালির রাজনৈতিক মুক্তি, স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান—এই দুই ক্ষণজন্মা পুরুষ যেন একই সূত্রে গাঁথ ...
আসনাতুল আহাদ:আমরা যেন বসবাস করছি এক অদ্ভুত সমান্তরাল বয়ানে। প্রতিনিয়ত আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠছে অগণিত মানুষের চেনা মুখ আর পরিচয়ের তালিকা। তবু আমরা সব তৃপ্তির আড়ালে টের পাই ভেতরে ভেতরে মানুষ কতটা এ ...
সব মন্তব্য
No Comments