ডেস্ক রিপোর্ট: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি বলেছেন- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনাল নির্মাণ কাজে আমরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এগিয়ে আছি। ২০২১ সালের জুনে এই টার্মিনালের ১৪ দশমিক ৫ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল তবে আজ পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে সাড়ে ১৭ ভাগ।
আজ শনিবার বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনালের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এমপি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই টার্মিনালের আকার হবে বর্তমান বিমানবন্দরের দুইগুনেরও বেশি। টার্মিনালের সাথেই আশকোনার হজক্যাম্প থেকে একটি টানেল যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে সম্মানিত হাজীরা হজক্যাম্প থেকে সরাসরি বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ও বহুমাত্রিক নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে পা রেখেছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে দৃষ্টিনন্দন ৩য় টার্মিনাল তৈরি হচ্ছে। এই টার্মিনালের সাথে মেট্রোরেল সংযুক্ত থাকবে। টার্মিনালটি হবে সম্পূর্ণ অটোমেটেড। দৃষ্টিনন্দন এই বিমানবন্দরে পা রেখেই একজন বিদেশী বাংলাদেশের সৌন্দর্য অনুধাবন করতে পারবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিডের আগ্রাসনে সারাবিশ্ব যখন থমকে ছিল তখনও একদিনের জন্যেও বন্ধ হয়নি টার্মিনালের নির্মাণ কাজ। ২০২৩ সালের জুন মাসে এই টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে।
এর আগে দুপুরে টার্মিনালের নির্মানকাজ পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তাকে কাজের সার্বিক অগ্রগতি ব্রিফ করেন সাইট ম্যানেজাররা। এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোঃ মোস্তফা কামাল সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পাঁচ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারের এ টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি প্লেন রাখার অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) করা হয়েছে। টার্মিনাল ভবন হবে দুই লাখ ৩০ হাজার স্কয়ার মিটারের। যার ভেতরে থাকবে পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য ও অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ছোঁয়া।
বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে মেট্রোরেল। তৈরি হবে পৃথক একটি স্টেশনও। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা যাত্রীরা বিমানবন্দর থেকে বের না হয়েই মেট্রোরেলে করে নিজেদের গন্তব্যে যেতে পারবেন। এছাড়া ঢাকার যেকোনো স্টেশন থেকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে সরাসরি বিমানবন্দরে ডিপার্চার বা বহির্গমন এলাকায় যাওয়া যাবে।
২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় একনেক। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কাজের উদ্বোধন করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্বশীল ও বৈশ্বিক বহুপা ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী দিনেশ ত্রিবেদী। আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকায় ভারতীয় হ ...
স্টাফ রিপোর্টার: গ্যাসের সংকট কেটে গেলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার সচিবালয়ে সর ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হবে না বলে ঢাকাকে জানিয়ে দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম বায়ান্ন নিউজে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার বর ...
সব মন্তব্য
No Comments