সৈয়দ রাসেল আহমদ, সিলেট অফিস: সিলেটে জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নারী গ্রাহকরাই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, “জীবন বীমা করলেই মূলধনসহ নিশ্চিত লাভ”এমন প্রলোভন দেখিয়ে তারা গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে। কিন্তু মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে চলে নানা তালবাহানা। মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও গ্রাহকরা পাচ্ছেন না তাদের পাওনা অর্থ।
সরাসরি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার এলিগেন্ট সিটির ৫ম তলায় অবস্থিত পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স অফিসে প্রতিদিনই ভিড় করছেন অসন্তুষ্ট গ্রাহকরা। অভিযোগ রয়েছে, মেয়াদ পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এফডিআর ও জীবন বীমার অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। অনেক সময় কাগজপত্রের অজুহাত দেখিয়ে অথবা শাখা ইনচার্জের অনুপস্থিতির কথা বলে গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার এক নারী ভুক্তভোগী জানান, তিনি ১২ বছর আগে একটি জীবন বীমা করেন, যেখানে প্রতি বছর ৩০ হাজার টাকা জমা রাখতেন। তার হিসেব অনুযায়ী, মোট জমা হওয়া উচিত ছিল ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি বছরের মে মাসে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অফিসে গেলে তাকে জানানো হয়, তার নামে জমা হয়েছে মাত্র ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা। বাকি ১ লক্ষ ১৯ হাজার টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেননি অফিসের কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী ঐ নারী বলেন,আমি এই বীমা করেছিলাম সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে। এখন দেখি, মূলধনটুকুও পাচ্ছি না। লাভ তো দূরের কথা। এটা সরাসরি প্রতারণা।”
এ বিষয়ে অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায় নেননি। তারা সকলেই দায় চাপান ঐ শাখার জেনারেল ম্যানেজার (উন্নয়ন) ফখরুল আলমের ওপর। কর্মকর্তারা জানান, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন ইনচার্জ ফখরুল।
এবিষয়ে ফখরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নিজেকে একজন মাঠ কর্মী হিসেবে দাবি করেন,তাকে নিয়ে কোন সংবাদ প্রকাশ হলে ভুক্তভোগী ও সাংবাদিকের ওপর মামলা করবেন বলেও হুমকি দেন।
ফখরুল বলেন, আমি অসুস্থ,আমি এখন অফিসে যাই না। যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে তাদের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এরপরও যারা আমার বিরুদ্ধে বলছে এবং আমার বিষয়ে যদি কোন সংবাদ প্রচার হয় আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করব।
তবে অফিস কর্মকর্তাদের দাবি ফখরুল আলম এখনও অব্যাহতি নেননি, তিনি অফিসের জেনারেল ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন।
অফিসে উপস্থিত আরও কয়েকজন নারী গ্রাহক অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই ফখরুল আলমসহ এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এইভাবে গ্রাহকদের হয়রানি করে আসছেন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রতিদিন এই অফিসে নানা অজুহাতে গ্রাহকদের ঘুরানো হচ্ছে। অথচ শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি ‘লাভসহ টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা’ দিয়ে চুক্তি করে।
বিজয় রায়, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ একাত্তরের বিভীষিকাময় দিনগুলো বুকে নিয়ে, দীর্ঘ অবহেলা আর সামাজিক গ্লানির বিরুদ্ধে সারাজীবন লড়ে যাওয়া বীরাঙ্গনা টেপরি রাণী আর নেই। ১২ মে মঙ্গলবার সন্ধ্য ...
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বিবাহবিচ্ছেদ। জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শহরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৯টি করে তালাক বা ডিভোর্স আবেদন জমা পড়ছে। ...
নেত্রকোণা প্রতিনিধি: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নেত্রকোণায় একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ব্রি ...
বগুড়া অফিস: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন আমলকে 'বিড়ি শিল্পের স্বর্ণযুগ' মনে করতেন শ্রমিকরা। জিয়াউর রহমান স্পষ্টভাবে বলতেন, "বিড়ি হলো গরিব মানুষের সিগারেট। যারা দিনমজুর বা রিকশাচালক, তাদে ...
সব মন্তব্য
No Comments