স্টাফ রিপোর্টার: রাজনৈতিক দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে দলগুলোর নিবন্ধন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্র্যাসি (এএফইডি) এবং ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি) যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে। ওই আয়োজনে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অংশীজনদের সামনে তুলে ধরা হয়। সংলাপে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সানাউল্লাহ বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোকে কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়। মূলত ২০০৮ সালে আরপিও সংশোধনের সময় এই শর্ত যুক্ত করা হয়েছিল এবং তখন ২০২০ সালের মধ্যে লক্ষ্য পূরণের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে কোনো দলই শর্ত পূরণ করতে না পারায় সময়সীমা বাড়িয়ে ২০৩০ সাল করা হয়েছে। এবার আর সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
তিনি প্রস্তাব করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সংস্কার প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তার মতে, এটি অন্তর্ভুক্ত হলে দলগুলো এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হবে। একই সঙ্গে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির বিষয়টিও দলগুলোর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংলাপে দেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন এই নির্বাচন কমিশনার। তার মতে, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন তুলনামূলকভাবে সহিংসতামুক্ত থাকার পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সামনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও রাজনৈতিক দলগুলোর সেই সদিচ্ছা বজায় থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার প্রবণতা বেশি থাকায় এ বিষয়ে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচনে মনোনয়ন পেলেই জয় নিশ্চিত, এমন ধারণা থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের বেরিয়ে আসার তাগিদও দেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। অনেকেই মনে করেন, মনোনয়ন পেলেই নির্বাচিত হয়ে যাবেন, এটা হবে না। নির্বাচন হবে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য এবং জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন।
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। রোববার (৮ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের (বিবিএন) মধ্যে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অভিযোজন অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয় ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রয়াত স্বজনের মুখচ্ছবি। কেউ পরিষ্কার করেছেন সমাধি, কেউ ব্যস্ত ছিলেন মঠ ধোয়া-মোছায়। কোথাও নতুন রঙের প্রলেপ, আবার কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সম ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছিল বলে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ রয ...
সব মন্তব্য
No Comments