কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে খুলনার অতিরিক্ত পরিচালকের দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার বিসিআইসি সার ডিলার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলার বিসিআইসি সার ডিলার ও কীটনাশক বিক্রেতাগণ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষে সরকারি বরাদ্ধকৃত রাসায়নিক সার যথাসময়ে উত্তোলন পূর্বক সার বিতরণের নীতিমালা অনুসরণ করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে চাষীদের মধ্যে বণ্ঠন করে আসছেন। কিন্তু ১জানুয়ারী কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউল হক যোগদান করেই উপজেলার বিসিআইসি সার ডিলার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের ভয় ভীতি প্রদান করে আসছেন। এছাড়া ব্যবসায়ীদের দোকানে যেয়ে
ম্যাজেস্ট্রিসি আচরণ সহ উনাকে স্যার বলে সম্মোধন করতে বাধ্য এবং অশালীন আচরণ করেন। তিনি কৃষি অফিসের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়াই বিসিআইসি সার ডিলারদের দোকানে যেয়ে পাকা দোকান ঘর ভেঙ্গে নতুন করে দোকানঘর করার নির্দেশ দেন। অন্যথায় সার্বিক বিষয়ে তাকে ম্যানেজ করার প্রস্তাব দেন। যা কলারোয়ায় কেহ এমন ধরনের প্রস্তাব কখনও করেননি। ওই অভিযোগে আরো বলা হয়-কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউল হক বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম এর কাছ
থেকে ৩.৩০০টাকা, আব্দুল্লাহর কাছ থেকে ৫০০০ টাকা, আজাহারুল ইসলামের কাছ থেকে ২.৫০০টাকা ও আব্দুর রশিদ এর কাছ থেকে ১২০০শত টাকা নিয়েছে। এছাড়া কলারোয়া উপজেলার ১৩জন সার ডিলার পৌরসভা সহ ১৩টি ইউনিয়নে যাওয়ার সরকারি বিধান থাকলেও উপজেলা কৃষি অফিস দীর্ঘ দিন যাবৎ অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে কলারোয়া পৌরসভার মধ্যে মেসার্স রহততুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ (বাটরা), মেসার্স উচ্ছাস এন্টারপ্রাইজ (দেয়াড়া), মেসার্স আজিজুর রহমান (কেড়াগাছি), মেসার্স আরবিএল কনস্ট্রাকশন (লাঙ্গলঝাড়া), মেসার্স আশরাফ ট্রেডার্স (হেলাতলা) ও মেসার্স সততা এন্টারপ্রাইজ (কাজিরহাট) বহাল তবিয়াতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দেখার কেই নেই। চলতি নভেম্বর মাসে ওই ডিলারগণ ইউনিয়নে সার না নিয়ে কলারোয়া গোডাউনে সব সার নামিয়েছে কৃষি অফিসারের সক্রিয় সহযোগিতায়
বলে একটি সূত্র দাবী করেছে। এদিকে ১৭জন ব্যবসায়ী উল্লেখিত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক উপজেলা কৃষি অফিসে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। এদিকে খুলনার অতিরিক্ত পরিচালকের দপ্তরে অভিযোগের কথা জানতে পেরে জিয়াউল হক উপজেলার কীটনাশক ডিলার রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন কীটনাশক ডিলারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে নিচ্ছেন। এমনকি বলা হচ্ছে অল্প টাকা নেয়া হয়েছে সেটা বলার জন্য।
অন্যথায় লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দিচ্ছে। এবিষয়ে শনিবার (১০ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযুক্ত উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জিয়াউল হকের ০১৭১৬৫০১৫৩১ নম্বরে ফোন দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পৃথক ত ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : নারীদের গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে বায়েজিদ মিঠু নামের এক যুবককে আটক করে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৭ নভেম্বর) ...
নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা শহরের মগড়া নদী উদ্ধারের নামে বৈধ জমির মালিকদের উচ্ছেদের চেষ্টা এবং নদী খনন প্রকল্পে সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নদীতীরবর্তী ভূমির মালিকেরা। এ বিষয়ে হয়রানি বন ...
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি : পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দুটি অবৈধ ইটভাটার স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিযানে বাঁধা ও মব সৃষ্টির অভিযোগে রাজিব হোসেন (৩৫) নামে স্থান ...
সব মন্তব্য
No Comments