স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসলে দুই দেশের মধ্যকার অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
রোববার (৯ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ছে। ভিসা, বাণিজ্য, সীমান্ত, পানি বণ্টন, মানুষের যাতায়াতসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
সম্ভাব্য ওই সফরকে ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, ভিসা এবং দুই দেশের মানুষের যোগাযোগের বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছে। একইভাবে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। এসব বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিটি ও কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। পর্যটন ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে দুই দেশের নাগরিকদের যাতায়াত বাড়লে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে নানা বিষয়ে টানাপোড়েন দেখা দেয়। সীমান্ত, রাজনৈতিক বিষয়, ভিসা, পানি বণ্টন এবং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক ও কার্যকর পর্যায়ে নেওয়ার জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। ভারতীয় হাইকমিশনারের সর্বশেষ বক্তব্যেও প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক হলে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা ও সমঝোতার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজেদের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত করতে বড় ধরনের যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যম ...
বিশেষ প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন ...
ডেস্ক রিপোর্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্বশীল ও বৈশ্বিক বহুপা ...
সব মন্তব্য
No Comments