মোঃ সাইফুল্লাহ, সাভার: বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা রাজা হরিশচন্দ্রের রাজপ্রাসাদ।বাংলাদেশে সাভারের মজিদপুরে অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা "রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি" বা "রাজা হরিশচন্দ্রের বাড়ি" নামেও পরিচিত। এই স্থানটি সপ্তম-অষ্টম শতকে রাজা হরিশ্চন্দ্রের রাজধানী সম্ভারের ধ্বংসাবশেষ।
ঢাকার সাভার উপজেলার মজিদপুরে, প্রাচীন বংশাবতী নদীর তীরে এই প্রত্নস্থলটি অবস্থিত। এটি ছিল প্রাচীন সম্ভার রাজ্যের রাজধানী, যা পরবর্তীকালে 'সাভার' নামে পরিচিতি লাভ করে। রাজা হরিশ্চন্দ্রের শাসনামলে এই স্থানটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে এর গুরুত্ব থাকলেও, বর্তমানে স্থানটি অবহেলা ও অযত্নের শিকার, এবং এর অনেক অংশই মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে।
খনন: ড. নলিনীকান্ত ভট্টশালী ১৯১৮ সালের দিকে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ শুরু করেন, যা পরবর্তীকালে আরও বিস্তৃত হয়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয়রা অবসর সময় কাটান এখানে বসে। এলাকার শিশুরা স্থাপনাটির ভিতরে খেলাধুলায় মগ্ন থাকে। অনেকেই আবার এসেছেন পরিবারবর্গ নিয়ে স্থাপনাটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে। দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপত্যটি এখনো টিকে আছে স্বগৌরবে। তবে, ভ্রমন পিপাসুদের দাবি, অবহেলা কিংবা অযত্নে যেন হারিয়ে না যায় এমন ঐতিহাসিক স্থানটি।
মোঃ মাহফুজুর রহমান:একটা সময় ছিল গ্রামের অনেক কৃষক সাদা কাগজে টিপসই দিয়ে ভিটেমাটি হারিয়ে পথের ফকির হয়ে যেত । আবার অনেকে ঋণ না নিয়েও ঋণের ফাঁদে পড়তো । কারণ তারা ছিল নিরক্ষর । মানুষের অজ্ঞতার সুযোগকে কাজ ...
এ এম ইমদাদুল ইসলাম:তরুণ বয়সে যে হাত লাঙল ধরেছিল, বার্ধক্যেও সেই হাতেই এখন ধরা থাকে একটি প্লাস্টিকের কার্ড। দেখতে সাধারণ, কিন্তু এর ভেতরে জমা আছে এক কৃষকের পরিচয়, তার জমির হিসাব, প্রাপ্য ভর্তুকি এবং ভব ...
মোঃ কাওসার হোসেন:বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের বহুবার সভাপতি—রাহাদ সুমন। কখনো নির্বাচনের মাধ্যমে, কখনোবা সমঝোতার ভিত্তিতে। এতবার নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, মেধা, গ্রহণযোগ্যতা ...
নিকোলাস বিশ্বাস:নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বিশ্বকে এমন এক বাস্তবতার কথা গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যা আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনো সীমান্ত মানে না। এগুলো জাতীয় সীমান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments