ডেস্ক রিপোর্ট: ঈদুল আজহায় কোরবানি দেওয়া হয়। তাই এ সময় কোরবানির মাংস খাওয়া হয় অনেক বেশি। বিরামহীন মাংসভোজন চলে অন্তত পাঁচ-সাত দিন। নিজ বাড়িতে প্রতিবেলা যেমন মাংস খাওয়া হয়, তেমনই কোনো আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে গেলেও খাবারে মাংস থাকে অবধারিতভাবে।
মাংস খান, তাতে বাধা নেই। কিন্তু পরিমাণটাও বিবেচনায় রাখুন। অল্প কয়েক দিনে এত বেশি পরিমাণে মাংস খাওয়া ভয়ানক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই কী পরিমাণ মাংস খাবেন, কোন ধরনের মাংস খাবেন, বিস্তারিত জেনে নিন।
অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি
রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ সালমা পারভীন বলেন, মাংসের অতিভোজনে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা ডায়রিয়া হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণও বেড়ে যায়। এসব ছাড়া আরও বড় বড় রোগের সূত্রপাত ঘটতে পারে। ঈদের সময় সাধাণত গরু, মহিষ, খাসিসহ বিভিন্ন ধরনের লাল মাংসই বেশি খাওয়া হয়।
.এসব লাল মাংস হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
.বেড়ে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকি।
.পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, কোলন, প্রোস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি হয়।
.নানা ধরনের রোগে ফুসফুস আক্রান্ত হতে পারে।
.আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
.পিত্তথলিতে পাথর, পেপটিক আলসারসহ কিডনির জটিলতা হতে পারে।
জেনে নিন পরিমাণ
পুষ্টিবিদ সালমা পারভীনের বক্তব্য অনুযায়ী, মাংস খাওয়ার দৈনন্দিন পরিমাণ এক কথায় বলা কঠিন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিচেনায় রাখতে হবে। প্রথমত দেহের আদর্শ ওজন। আবার যাঁরা নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করেন, তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা বেশি। মেয়েদের মাসিক চলাকালে বা গর্ভাবস্থায় প্রোটিনের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ৬০ কেজি ওজনের একজন ব্যক্তির প্রোটিন গ্রহণের আদর্শ মাত্রা ৬০ গ্রাম। যদিও পুষ্টিনির্দেশনায় একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিদিন ১০০ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণের কথা নিরাপদ বলা হয়েছে, তবু কারোই ৭০ গ্রামের বেশি খাওয়া উচিত নয়। প্রতিবেলায় ১৫ -২৫ গ্রাম, অর্থাৎ ২-৩ টুকরা মাংস খাওয়া নিরাপদ।
মেনে চলুন নির্দেশনা
এ সময় মাংস খাওয়ার উচ্ছ্বাসে সুষম খাবারের কথা যেন ভুলে না যাই। এ ছাড়া এই ঈদ মৌসুমে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারেন।
.শাকসবজি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
.যথাযথ পদ্ধতিতে মাংস রান্না করুন। চর্বি বাদ দিয়ে, অল্প তেলে, উচ্চ তাপে রান্না করুন।
.লেবুর রস, টক দই, ভিনেগার, পেঁপে প্রভৃতি মাংসকে নরম করে, যা হজমে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই রান্নার সময় এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
.মাংস খাওয়ার সময় সালাদ খাবেন।
.রাতে মাংস না খাওয়াই ভালো।
.যখনই মাংস খাবেন, এক বেলায় দুই থেকে তিন টুকরার বেশি খাবেন না।
.উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির সমস্যার মতো জটিল রোগ আছে যাঁদের, তাঁরা মাংস এড়িয়ে চলুন। নেহাত খেতে ইচ্ছা করলে আপনার পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলে নিন।
-প্রথমআলো
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ রবিবার, ১০ মে পর্যন্ত হামের উপসর ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল অফিস: বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে এ হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে।শুক্রবার (৮ ম ...
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৬ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪৮৯ জন। ১৫ মার্চ থে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘থ্যালাসেমিয়া অদৃশ্য আর নয়, অজানাদের খুঁজি ও সহযোগিতার হাত বাড়াই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পালিত হয়েছে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ২০২৬। দিবস ...
সব মন্তব্য
No Comments