ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
ব্রিফিংকালে তিনি অভিযোগ করে বলেন, নমিনেশন বাছাই পর্বে একই নিয়মের অধীনে কারোর নমিনেশন বৈধ আবার কারোরটি অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে মোটা দাগে দুটি বিষয় ছিল- প্রার্থীদের ঋণ খেলাপী হওয়া ও দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা। আশঙ্কার বিষয় হল একটি বড় দলের কিছু কিছু প্রার্থী অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও তাদের বহাল রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।
আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই- কোনো প্রকার চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে আরপিও অনুযায়ী ফায়সালা করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ইলেকশন কমিশন জনগণের নিকট সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ বলে বিবেচিত হবে। শুধু তাই নয়, কোনো একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে বলে প্রমাণিত হবে এবং জনমনে সংশয় তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো একটি বিশেষ দলের প্রধানকে সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সিকিউরিটি ও প্রটোকল দেওয়া হচ্ছে। যদি তাই হয়- অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানকেও সমভাবে প্রটোকল দিতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সকল দলের জন্য সমান সুযোগের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘিত হবে।
তিনি বলেন, কোথাও কোথাও জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যেই এদের তালিকা তৈরি করেছি এবং এখনো অবজার্ভ করছি। ইলেকশন কমিশন যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে এব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার কথা অবহিত করেছি। আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি যে, চীফ এডভাইজারের চারপাশের কতিপয় উপদেষ্টা তাঁকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে বিভ্রান্ত করছেন।
প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।
তিনি বলেন, ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার্থে আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছি, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে শুধু সেনাবাহিনী নয়, কোনো বাহিনীই মোতায়েন করা উচিত হবে না। এমন কিছু হবে না বলে তিনি আমাদের আশস্ত করেছেন। আমাদের বক্তব্য হল- তারা বুথের বাইরে অবস্থান করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিবে। বুথের ভেতরে তাদের কোনো কাজ নেই।
আরও বিস্ময়ের ব্যাপার হল- প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘তাঁকে অনেক কিছুই জানতে দেওয়া হয়না।’ আমরা তাঁকে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবহিত হতে ম্যাকানিজম রাখার পরামর্শ দিয়েছি।
মহসিন মিঞা লিটন, বরিশাল অফিস: গত শনিবার, ৯ মে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে আয়োজিত মতব ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও সংযোজন করে যুগোপযোগী করা হবে। মন্ত্রী এ সময় পুলিশ বাহিনীকে জনপ্রত্যাশা ও জনআকাক ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুলিশকে নিজেদের স্বার্থে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন ব্যবহার করতে না পারে। রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আজ পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:“পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্ ...
সব মন্তব্য
No Comments