বেনাপোল প্রতিনিধি: দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যে ‘মিথ্যা ঘোষণা’ ও ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য প্রবেশের সময় ১৪ টি পণ্য চালান জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। গত মাসেই বেশ কয়েকটি বড় বড় পণ্য চালান জব্দ ও সর্বমোট ২৫ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি ধরা পড়েছে বলে জানায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এ কারণে রাজস্ব ফাঁকিবাজরা একাট্রা হয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের বদলি করাতে উঠে পড়ে লেগেছে। তারা সামাজিক ভাবে তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ৪ টি সিএন্ডএফ লাইসেন্স স্থগিত করেছে। নজরদারি জোরদারের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা এবং কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা যোগসাজশের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে স্থগিত করা লাইসেন্স গুলো হচ্ছে, লিংক ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স রয়েল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স করিম অ্যান্ড সন্স ও হুদা ইন্টারন্যাশনাল। পাশাপাশি আরও চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল কাস্টম হাউসসের যুগ্ন কমিশনার সাইদ আহমেদ রুবেল।
তিনি জানান, সর্বশেষ গত রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে বন্দরের ১৯ নম্বর শেডে কাস্টমস কমিশনার ফাইজুর রহমানের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স’ ঘোষণার আড়ালে উচ্চ শুল্কের ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিসের বড় চালান জব্দ করা হয়। কাগজে ২৬০ প্যাকেজ থাকলেও বাস্তবে পাওয়া যায় ২৬৮ প্যাকেজ। পণ্যের বাজারমূল্য ২৫ লাখ টাকা।
অন্যদিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিকভাবে এসব অনিয়ম উদ্ঘাটন করছে। গত ১৪ মার্চ ‘বেকিং পাউডার’ ঘোষণার আড়ালে আনা প্রায় ৬ কোটি টাকার শাড়ি থ্রীপিস জব্দ করা হয়। ৯ মার্চ ‘ঘাসের বীজ’ ঘোষণা দিয়ে পাট বীজ। ১৮ জানুয়ারি মোটর পার্টসের একটি চালানে অতিরিক্ত তিন টন পণ্য ধরা পড়ে। সর্বমোট ২৫ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি ধরা পড়েছে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়।
বেনাপোল কাস্টমস সূত্র জানায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানান।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, বর্তমানে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ইতিবাচক। কাস্টমস এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। সাভির্লেন্স বাড়ানো হয়েছে এবং সন্দেহজনক চালানে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে রাজস্ব ফাঁকি কমানোর বাস্তব চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার ফাইজুর রহমান বলেন, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছি। প্রতিটি সন্দেহজনক চালান শতভাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে ‘অনার ৬০০এস’ বিক্রি শুরু করেছে স্মার্টফোন ও গ্যাজেট বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ড্যাজল। অনার বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্মার্টফোনটির একমাত্র বিক্রেতা হ ...
স্টাফ রিপোর্টার: পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক আন্দোলন ও অস্থিরতার কারণে দেশের রপ্তানি আয়ের বৃহত্তম অংশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টা ...
স্টাফ রিপোর্টার: তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।বুধবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬ বাজুস স্ট্যান্ডিং ক ...
সব মন্তব্য
No Comments