স্টাফ রিপোটার: পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির কোন নেতা কর্মী যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (২২ জুন) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপিকে আমন্ত্রণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা করে, যারা খালেদা জিয়াকে পদ্মায় ডুবিয়ে মারতে চান এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে পদ্মায় চুবিয়ে মারতে চান তাদের আমন্ত্রণে বিএনপির কোনো নেতা বা কর্মী কখনো যেতে পারে না।
বিএনপির নেতা নেই, প্রধানমন্ত্রীকে হবে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্য উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতায় থাকেন তাহলে কোনো নির্বাচন হবেই না। আওয়ামী লীগকে সরে যেতে হবে এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার হলেই শুধুমাত্র নির্বাচন হবে। আর নির্বাচন হলে তখন প্রশ্ন হবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন। আর আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া (তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী) আর তার অনুপস্থিতে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। আমাদের নেতৃত্বের কোনো সমস্যা নেই। সুতরাং বিএনপিতে নেতৃত্বের কোনো সঙ্কট নেই।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কি সঙ্কট আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্কট আছে। একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ নেই। উনি চলে গেলে কি নিয়ে যুদ্ধ হয় সেটা তারাই ভালো বলতে পারবেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজকে যে প্রেস কনফারেন্স করেছেন সেই প্রেস কনফারেন্সে আবার পূর্বের মতোই তার যে স্বভাবসুলভ বক্তব্য সেই বক্তব্যের মধ্যে তিনি যে মিথ্যাচার করেন তার আবার প্রমাণ রেখেছেন। এর মধ্যে আছে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার মাওয়া প্রান্তে সেতুর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং জাপান সরকারকে পুনরায় মানিকগঞ্জের আরিচা প্রান্তে সেতুর জন্য সমীক্ষা করতে বলেন। হুইচ ইজ এ বার্টান্ড লাই। আমাদের কাছে প্রমাণ হচ্ছে, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কপোরেশন এজেন্সির পূর্ণাঙ্গ ফিজিবিলিটি রিপোর্ট যেটা হচ্ছে, মাওয়া এবং জাজিরা প্রান্তের যেটা বর্তমানে আছে। এই রিপোর্টের কপিও আছে আমাদের কাছে, আপনারা চাইলে দেখতে পারেন। এই রিপোর্টটি ২০০৪ সালে মার্চের ৩ তারিখ সা্বমিট করা হয়েছিলো। এটা হচ্ছে ইন্টারিয়ম রিপোর্ট অন দ্যা ফিজিবিলিটি স্টাডি অব পদ্মা ব্রিজ।
প্রধানমন্ত্রী সিলেট সফর প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, মঙ্গলবার (২১ জুন) সিলেট গিয়ে হেলিকপ্টারে করে দেখেছেন, খুব ভালো কথা। কিন্তু সার্কিট হাউজে থেকেছেন, মিটিং করেছেন। একটু এগিয়ে গিয়ে বন্যার্তদের মাঝখানে তিনি যাননি! আর তাদেরকে তিনি যে একুট সাহস দেবেন সেটাও করেননি। বরং তিনি সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে বলেছেন, কোথায় তোমাদের বিএনপি? এটা তো বিএনপির দায়িত্ব না। এর দায়িত্ব সম্পূর্ণ সরকারের। আর উনি গিয়েছেন গতকাল। কিন্তু বিএনপি তিন দিন আগে থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের কাজ শুরু করেছে। আর তারা যখন একথা বলেন তখন তাদের নিজেদের দিকে একটু তাকানো দরকার যে, তারা কি করছেন এখন।
ডেস্ক রিপোর্ট: বিশিষ্ট মার্কসবাদী তাত্ত্বিক, রাজনীতিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড হায়দার আকবর খান রনোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২৪ সালের ১১ মে রাত ২টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বা ...
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে ১০০টি উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় চেয়ারম্যান ও মেয়র পদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রবিবার, ১০ মে দলের কে ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পল্টন শাখার সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে ও সহ-সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির সঞ্চলনায় রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অন্যায়ভাবে দুই বাংলাদেশিকে নিহত করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জ ...
সব মন্তব্য
No Comments