ডেস্ক রিপোর্ট: ‘অভিনেত্রী হিসেবে সুচিত্রা সেন বেশ বড়মাপের। অভিনয়ের ক্ষেত্রে নিজের সৌন্দর্যকে সুন্দরভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন।’ - সত্যজিৎ রায়।
‘সাড়ে চুয়াত্তর ছবিতে রমার সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার নায়িকা এসে গেছে। সুচিত্রা পাশে না থাকলে আমি কখনওই উত্তমকুমার হতে পারতাম না। এ আমার বিশ্বাস। আজ উত্তমকুমার হতে পেরেছি ওর জন্য- শুধু ওর জন্য।’- উত্তম কুমার, মহানায়ক
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজিনে বিকাল ৫.৩০টায় স্টুডিও থিয়েটার হলে স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত অভিনেত্রী, মহানায়িকা সুচিত্রা সেন এবং বিশিষ্ট যাত্রাভিনয় শিল্পী, যাত্রা পরিচালক অমলেন্দু বিশ্বাসকে নিয়ে।
স্টুডিও থিয়েটারের আয়োজনে ১ম পর্বে স্মরণ করা হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনকে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রদর্শিত হয় সুচিত্রা সেনের জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত ১০ মিনিটের বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। পরে সুচিত্রা সেন এর জীবন ও কর্মের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অনুপম হায়াৎ। প্রবন্ধের শিরোনাম ‘চলচ্চিত্রের মহা নায়িকা সুচিত্রা সেন’। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাল্গুনী হামিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মঞ্চ সারথী আতাউর রহমান।
প্রাবন্ধিক ও আলোচক অনুপম হায়াৎ সুচিত্রা সেন সম্পর্কে বলেন- “সময়ও একটা বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে সুচিত্রা সেনের মহানায়িকা হওয়ার পেছনে। ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশক ছিল বিশ্বব্যাপী সৃজনশীলতার বছর। এর প্রভাব পড়ে বাংলা তথা উপমহাদেশেও। সুচিত্রা ছিলেন এই দুই দশকেরই স্বপ্নের দেবী পর্দালোকের। তিনি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিত্রজগত ছেড়ে যাওয়ার। এ ব্যাপারে অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্যটি স্মরণযোগ্য। মাধবী বলেছেন, ‘উনি (সুচিত্রা) জানতেন কখন থামতে হয়। আমরা অনেকে তা পারিনি’ আসলে এই থেমে যাওয়াটাও জীবন ও শিল্পের অনুষঙ্গ। থামতে না জানলে পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।”
আলোচকরা বলেন, “বাংলা চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য ধারায় সুচিত্রা সেন অভিনয় নৈপুন্যে, সংলাপ প্রক্ষেপনে, ভাবাবেগ প্রকাশে, আচার-আচরণে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছেন। তাঁর অভিনয় বা অভিব্যক্তি প্রকাশ শৈলী চিত্রালোকের অন্যান্য দেশ বা অঞ্চলের নায়িকাদের থেকে একেবারেই আলাদা, যেন চিরকালের চাওয়া-পাওয়ার বাঙালি নারীর আধুনিক নান্দনিক সংস্করণ।”
২য় পর্বে স্মরণ করা হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত যাত্রাভিনয় শিল্পী, যাত্রা পরিচালক অমলেন্দু বিশ্বাসকে। শুরুতেই প্রদর্শিত হয় তাঁর জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। এরপর ‘অমলেন্দু বিশ্বাস: শতাব্দীর এক অনন্য প্রতিভা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক মিলন কান্তি দে। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাপস সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাট্যকার ও নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। দেশে যাত্রা শিল্পের বিকাশে অমলেন্দু বিশ্বাস এর ভুমিকা তুলে ধরেন আলোচকরা।
স্টাফ রিপোর্টার: সোনালি পর্দার সেই অমর স্মৃতির উত্তরাধিকার নিয়ে এবার চলচ্চিত্রের আঙিনায় এক নতুন লড়াইয়ের সুর বেজে উঠেছে। দুই কিংবদন্তির উত্তরসূরি এক হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির হাল ধরতে। আ ...
স্টাফ রিপোর্টার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, চলচ্চিত্র কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাধারা ও মনোজগৎ নির্মাণের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। তিনি বলেন ...
ডেস্ক রিপোর্ট: মুক্তির আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা নিয়ে এবার মুখ খুললেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এর আগে একই ইস্যুতে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তার স্বামী ও অভিনেতা ওমর সানী। গত ...
ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন গবেষক ও নির্মাতা আহমেদ তাহসিন শামস। সম্প্রতি তাঁর প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য ওয়াটার রিডার্স’ যুক্তরাষ্ট্রের ‘ল ...
সব মন্তব্য
No Comments