স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জুলাই সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া বর্তমান সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। এই নির্বাচনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্যই হলো জুলাই সনদের প্রতিটি লাইন, সেমিকোলন ও দাঁড়ি-কমা হুবহু বাস্তবায়ন করা।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও মো. আখতারুজ্জামান মিয়া।
সভায় দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল দর্শন হলো দেশের প্রতিটি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং কামার, কুমার, তাঁতি, স্বর্ণকারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি আপনার ভাই কাজ না পায় এবং প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে, তবে সেই রাষ্ট্রের সার্থকতা কোথায়? মানুষের জীবনের প্রথম মৌলিক চাহিদা হলো অন্ন। এই চাহিদা পূরণের জন্যই দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস থাকা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এবং সামাজিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পায়। যদি দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকে, তবে সাধারণ রিকশাচালক থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়ী কারও জীবনেরই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ শাসনামলে এ দেশের মানুষের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিল। সেই সময় বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা ছিল না এবং সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রাখা হয়েছিল। বাকশালের সেই অন্ধকার সময়ে মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি জাতিকে তিন বছরের মাথায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। পরে বেগম খালেদা জিয়াও ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতি ও গণতন্ত্র সোজা করার কাজ করেছেন। কিন্তু বিগত দেড় দশকের শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। দেশ থেকে পাচার হওয়ার ফলে অর্থনীতি এখন এক ভঙ্গুর অবস্থার মুখে দাঁড়িয়ে আ
চিফ হুইপ বর্তমান সরকারের কর্মতৎপরতা তুলে ধরে বলেন, মাত্র দুই মাস ১২ দিন বয়সে সরকার প্রতিটি সেক্টরে পরিবর্তনের ছোঁয়া দিয়েছে। ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, কৃষিকার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাত্র ৫ দিনে ১৩৩টি অর্ডিন্যান্সের ওপর কাজ করা একটি অসম্ভব কাজ ছিল, যা এই সরকার করে দেখিয়েছে। সরকারপ্রধান সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত একটানা কাজ করে রাষ্ট্রকে একটি কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রের যে গাছটি আমরা রোপণ করেছি, সেটি পানি দিয়ে বড় করার দায়িত্ব আপনাদেরও। সাংবাদিকদের কলম ও চিন্তা একটি দেশকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। তাই দেশের স্বার্থে এবং গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এই দাবি জানান। ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রতারণার মামলায় জামিন পেয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিদিশা সিদ্দিক। তিনি প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ফেসবুকে সুইসাইড নোট দেখে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা ও জাতীয় পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য মেঘমল্লার বসুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেছেন শিবিরের কেন্দ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ৮টা ২৫ ...
সব মন্তব্য
No Comments