স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তি ভবনে মব হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত প্রায় ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সিপিবির অভিযোগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাদের আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে একদল যুবক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে হামলা চালায়। এ সময় কার্যালয়ে থাকা নেতাকর্মীরা কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বলে দাবি করেছে দলটি।
ঘটনার সূত্রপাত দিনের বেলায় ধানমন্ডিতে। সুনামগঞ্জে নারী বাউল শিল্পীদের গান করতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করতে গিয়ে আটক হন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীল। সোমবার রাত ৯টার দিকে মুক্তি পাওয়ার পর সিপিবি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে নিয়ে পল্টন মোড় পর্যন্ত আনন্দ মিছিল করেন। মিছিলে ‘জয় বাংলা, জয় সমাজতন্ত্র’ স্লোগান দেওয়া হয়। সিপিবি নেতাদের দাবি, এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে নিজেদের যুবদল ও ছাত্রদলের কর্মী পরিচয় দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি দুইজন নেতাকর্মীকে মারধর করেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। রাত ১১টার পর তারা স্থান ত্যাগ করেন।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ কাফি রতন রাত ১২টা ১৫ মিনিটে কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামী লীগ এই স্লোগান ব্যবহার করে অনেক অন্যায় করেছে, কিন্তু তার মানে এই নয় আমরা স্লোগান ছেড়ে দেব। কোনো স্লোগানই পার্টি অফিসে হামলার অজুহাত হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, যারা মব তৈরি করে মাজার ভাঙা, পত্রিকা অফিসে আগুন দেওয়া ও পার্টি অফিসে হামলা করছে, তারা মব সন্ত্রাস দিয়ে কমিউনিস্ট পার্টিকে ধ্বংস করতে পারবে না। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও তিনি জানান। সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা রাখার পরও তাদের ওপর হামলা হয়েছে, সরকারকে নিজ দলের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
পুলিশ অবশ্য হামলা ও আহত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, মিছিলে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়নি এবং কেউ আটকও হননি। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, সিপিবি অফিসে প্রতিবাদ করতে যাওয়ার কোনো নির্দেশনা ছাত্রদল দেয়নি, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) শাহবাগে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, জেএসডি, জাসদ ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন বাম ও গণতান্ত্রিক দল এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ওপর আক্রমণ নয়, এটি গণতন্ত্র ও ভিন্নমত চর্চার অধিকারের ওপর আঘাত। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দলের নাম কিংবা তাঁ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় জিপিও'র সামনে শহীদ কর্নেল তাহের ...
ময়মনসিংহ অফিস: ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজা বাড়িতে নেই এবং তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়ে ...
সব মন্তব্য
No Comments