স্টাফ রিপোর্টার: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক প্রয়োজনে বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল, GSOMIA ও ACSA চুক্তি স্বাক্ষর না করা এবং মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘বন্দর রক্ষা ও করিডোর বিরোধী আন্দোলন’। বুধবার, ২০ মে ২০২৬ রাজধানীর শাহবাগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ‘ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’-এর সাবেক সভাপতি ডা. এম আবু সাইদ। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ। বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক অনিক কুমার দাস, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকান্দার হায়াত, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।
বক্তারা বলেন, একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীকে না জানিয়ে ১৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তাদের দাবি, চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়ে বেশি দামে ২৬ লাখ টন সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য, তুলা, ফলমূলসহ কৃষিপণ্য আমদানিতে ৩৫০ কোটি ডলার বা ৪২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া গত ৩০ এপ্রিল বিনা দরপত্রে ৪৫ হাজার কোটি টাকায় মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির কথাও সমাবেশে উল্লেখ করা হয়।
সমাবেশে আরও বলা হয়, চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বাজারে ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় পাবে। বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে, যার অধিকাংশ রপ্তানির সক্ষমতা দেশের নেই। বক্তাদের অভিযোগ, মাছ, মাংস, মুরগি, দুধসহ সব কৃষিপণ্যের অবাধ আমদানির বাধ্যবাধকতা থাকায় দেশের পোলট্রি, মৎস্য, ডেয়ারি ও দুগ্ধ খাতের কোটি মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে পড়বে। তৈরি পোশাক শিল্পে মার্কিন তুলা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা পরিবহন খরচ বাড়িয়ে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমাবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বক্তারা দাবি করেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী মার্কিন বাণিজ্য স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তি করতে পারবে না। রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে ইতোমধ্যে মার্কিন ‘ছাড়পত্র’ চাইতে হচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
GSOMIA ও ACSA চুক্তির বিষয়ে সমাবেশে বলা হয়, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক তথ্য আদান-প্রদান হবে। বক্তাদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক প্রয়োজনে বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। তারা বলেন, এ ধরনের চুক্তি বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক শিবিরে ঠেলে দিয়ে কৌশলগত স্বাধীনতা বিপন্ন করছে এবং আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাতিল, GSOMIA ও ACSA চুক্তিসহ মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি জানান। অন্যথায় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এই দাবি জানান। ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রতারণার মামলায় জামিন পেয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিদিশা সিদ্দিক। তিনি প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ফেসবুকে সুইসাইড নোট দেখে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা ও জাতীয় পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য মেঘমল্লার বসুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেছেন শিবিরের কেন্দ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ৮টা ২৫ ...
সব মন্তব্য
No Comments