স্টাফ রিপোর্টার: সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নির্ধারিত সময়ের পর জিপিএস ডিভাইস না থাকলে কোনো বাস, মিনিবাস বা অন্যান্য গণপরিবহনের নতুন রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না এবং ফিটনেস সনদও নবায়ন করা হবে না।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সম্প্রতি এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সব ধরনের গণপরিবহনে জিপিএস ডিভাইস স্থাপন করে তা সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হবে।
বিআরটিএ জানিয়েছে, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গণপরিবহন ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও নিরাপদ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিপিএস সংযুক্ত থাকলে বাসের অবস্থান, গতি, রুট থেকে বিচ্যুতি, যাত্রাবিরতির সময়সহ সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা যাবে। এতে অতিরিক্ত গতি, পাল্লা দেওয়া, নির্ধারিত রুটের বাইরে চলাচল এবং দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। পাশাপাশি যাত্রী হয়রানি, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও কমবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫-এর আওতায় এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী, জিপিএস সংযুক্তকরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ ইস্যু বা নবায়ন করা যাবে না।
জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মান, স্পেসিফিকেশন ও সংযুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিআরটিএ’র প্রতিটি জেলা সার্কেল অফিস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া সংস্থাটির ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd-তেও এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেওয়া আছে। পরিবহন মালিকদের নির্ধারিত মানের ডিভাইস অনুমোদিত ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহ করে স্থাপন করতে হবে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ আন্তঃজেলা রুটে চলাচলকারী বাস-মিনিবাসে এটি বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সব গণপরিবহনকে এর আওতায় আনা হবে। কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে বসে প্রতিটি গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবে বিআরটিএ। কোনো গাড়ির জিপিএস বন্ধ পাওয়া গেলে বা রুট ভঙ্গ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানার আওতায় আসবে।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, সরকারের এ উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান। তবে ডিভাইসের দাম, মাসিক সার্ভিস চার্জ ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নিয়ে মালিকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ আছে। বিআরটিএ বলছে, যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ও দুর্ঘটনা কমাতে এই খরচটুকু দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক হবে। ১ আগস্টের পর থেকে সড়কে নামা প্রতিটি গণপরিবহন জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আসবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
স্টাফ রিপোর্টার: সারা দেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। রোববার (৮ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের (বিবিএন) মধ্যে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অভিযোজন অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয় ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রয়াত স্বজনের মুখচ্ছবি। কেউ পরিষ্কার করেছেন সমাধি, কেউ ব্যস্ত ছিলেন মঠ ধোয়া-মোছায়। কোথাও নতুন রঙের প্রলেপ, আবার কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সম ...
সব মন্তব্য
No Comments