শাহ কামাল লাঞ্চু হক:
★১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। এ দিনেই রাজধানীতে উড়ে এলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মহীয়সী নারী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী।
★ ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটা বিশেষ বিমান তেঁজগা বিমানবন্দরে অবতরণ করল। বিমানটার নাম " রাজহংস "। বিমানে ভারতীয় জাতীয় পতাকা তেরঙার পাশাপাশি বাংলাদেশে জাতীয় পতাকা আঁকা।
★ শ্রীমতি গান্ধীকে বিমান বন্দরে স্বাগত জানালেন সস্ত্রীক বঙ্গবন্ধু।
★বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে বঙ্গভবনে ( রাষ্ট্রপতি ভবন, তখন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর আবাসস্থল) পৌঁছালেন শ্রীমতি গান্ধী। সফরকালে ৩ দিন সেখানেই অবস্থান করেছিলেন তিনি।
★ওই দিন বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চ থেকে জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন শ্রমতি গান্ধী। ভাষণের প্রথম দু'মিনিট তিনি বাংলায় কথা বলেন। পরে দীর্ঘ ভাষণ বাংলায় দেয়ার অপারগতার জন্য ক্ষমা চেয়ে হিন্দিতে বক্তৃতা করেন। বক্তৃতার মাঝে তিনি রবি ঠাকুরের গান থেকে এক লাইন উচ্চারণ করেন - যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে…
★★ এই সফরের অর্থাৎ১৭ মার্চের আগে ঘটে যাওয়া উল্লেখ যোগ্য ঘটনা -
১) ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রীয় সফরে কোলকাতা যান। দিল্লী থেকে উড়ে আসেন ইন্দিরা গান্ধী। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নয়, একান্ত বৈঠকে বঙ্গবন্ধু বলেন - কখন সৈন্য সরিয়ে নেবেন। জবাবে ইন্দিরা গান্ধী বলেন - সমঝে, ইয়ে আপকা বার্থ ডে গিফট হোগা। সফর শেষে যৌথ ইশতেহারে বলা হল - ২৫ মার্চ ১৯৭২ এর মধ্যে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করবে।
অথচ বাস্তবে ১৭ মার্চ ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আসার সপ্তাহ খানেক আগেই শেষ ভারতীয় সেনাদল বাংলাদেশ ত্যাগ করে।
★★ এই সফরে ইন্দিরা গান্ধীর গুরুত্বপূর্ণ উক্তি-
১৮ মার্চ ১৯৭২ তাঁর সম্মানে দেয়া নৈশ ভোজে শ্রীমতি গান্ধী বলেন -
" ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বমূলক পরিবেশকে দূষিত করার জন্য ভিতরের ও বাহিরের বিরুদ্ধ মহল চেষ্টা করিবে।"
তাহমিদা খানম: আমরা যে শ্রেণিকক্ষের সঙ্গে পরিচিত—সামনে একজন শিক্ষক, পেছনে সারিবদ্ধ ডেস্কে বসে থাকা শিক্ষার্থীরা, নির্দিষ্ট সময়সূচি, পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা—তা কি কেবল শিক্ষার্থীদের শেখানোর সুবিধার্থে তৈরি ...
সামীনা জান্নাত:বাংলার প্রকৃতি চিরকালই ঋতুবদলের রঙে রঙিন। ষড়ঋতুর এই দেশে এক ঋতু বিদায় না নিতেই আরেক ঋতু এসে নিঃশব্দে জায়গা করে নেয় প্রকৃতির আঙিনায়। শরতের কাশফুলের শুভ্র সৌন্দর্য ফিকে হওয়ার সাথে সাথে প ...
মানিক লাল ঘোষ:বাঙালির রাজনৈতিক মুক্তি, স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান—এই দুই ক্ষণজন্মা পুরুষ যেন একই সূত্রে গাঁথ ...
আসনাতুল আহাদ:আমরা যেন বসবাস করছি এক অদ্ভুত সমান্তরাল বয়ানে। প্রতিনিয়ত আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠছে অগণিত মানুষের চেনা মুখ আর পরিচয়ের তালিকা। তবু আমরা সব তৃপ্তির আড়ালে টের পাই ভেতরে ভেতরে মানুষ কতটা এ ...
সব মন্তব্য
No Comments