ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদকে শেরপুরস্থ মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। আজ শনিবার বাদ জোহর তৃতীয় দফা জানাজা শেষে অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
এর আগে মরহুমের নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পরিচালনা করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া। জানাজার আগে বর্ষীয়ান এই নেতার রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন মরহুমের বড় ছেলে কানাডা প্রবাসী চিকিৎসক আসিফ হারুন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের এম. এ. মান্নান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা মোবারক হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির (দক্ষিণ) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাঈদুল হক সাঈদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিয়াজুল কারীম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জানাজা শেষে জেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, রেড ক্রিসেন্ট, এলামনাই অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা এক্স স্টুডেন্ট সোসাইটি (আবেশ), বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ব্যবসায়ী সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রয়াত নেতাকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, হারুন আল রশিদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতির অভিভাবক। দলের দুর্দিনে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন কর্মীবান্ধব নেতা। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সবাই তাকে সম্মান করতেন। তাঁর মৃত্যু শুধু বিএনপির নয়, পুরো জেলার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর আদর্শ আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এবং রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম ও দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন রাত ৯টার দিকে ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এই দাবি জানান। ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রতারণার মামলায় জামিন পেয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিদিশা সিদ্দিক। তিনি প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ফেসবুকে সুইসাইড নোট দেখে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা ও জাতীয় পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য মেঘমল্লার বসুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেছেন শিবিরের কেন্দ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ৮টা ২৫ ...
সব মন্তব্য
No Comments