মো.পাভেল ইসলাম মিমুল রাজশাহী: দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রাজশাহী আসছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির অংশগ্রহণে সম্ভাব্য শেষ সমাবেশও এটি। মূলত জনগণের কাছে ভোট চাইতেই আসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। আর এই আগমনকে সফল করতে রাজশাহী বিভাগজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্রে ব্যানার,ফেস্টুন,তোরণে সাজতে শুরু করেছে নগরী।
শনিবার নগরীর ঘুরে দেখা যায়,প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে বর্ণিল রূপে সাজতে শুরু করেছে নগর। রঙ-বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো হচ্ছে। শতাধিক তোরণ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে নগরজুড়ে। স্থানীয় নেতারা আগমনী শুভেচ্ছা বার্তার প্রচারণা চালাচ্ছেন।দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামী ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী আসছেন। সরকার প্রধানের আগমনে প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এরইমধ্যে সমাবেশস্থলে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
রাজশাহী সফরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন,সারদা পুলিশ একাডেমী পরিদর্শন শেষে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন আওয়ামী লীগের বিভাগীয় জনসভায়।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দফায় দফায় বৈঠক সেরেছে। রাজশাহী জুড়ে নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ,মেট্রোপলিটন পুলিশ,আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশ,র্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছে।
বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে এসে দলীয় প্রধানের সফরকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং রাজশাহীসহ আট জেলার নেতারাও। বেশ আগে থেকেই তারা বিভাগের ৬ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে করেছেন প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু করেছেন। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) একঝাঁক এমপি-মন্ত্রী অংশগ্রহণে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভাও সেরেছে আওয়ামী লীগ। যেখানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার নির্দেশনা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়,আওয়ামী লীগ সভাপতির সফর ও জনসভাকে ঘিরে ব্যানার-ফেস্টুন- পোস্টারে পুরো নগরীকে ছেঁয়ে দেয়া হবে। ওয়ার্ড,থানা পর্যায়ে স্থানীয় নেতাদের প্রচারণা চালাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সমাবেশের বেশকিছু আগে থেকে মাইক যোগেও প্রচারণা চলানো হবে।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল জানান,দলীয় সভাপতির আগমনী প্রস্তুতি হিসেবে তারা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ৭ লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ টার্গেট রেখে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে নেতা
-কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তারা বঙ্গবন্ধুতনয়াকে রাজশাহীতে বরণ করতে অধীর অপেক্ষায় আছেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আনিসুর রহমান বিপিএম,পিপিএম বার জানান,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে সামনে রেখে এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ঢাকা হেড কোয়ার্টারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে আগে থেকে সোচ্চার রয়েছে পুলিশ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতিকে কোরআন বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে স্বাক্ষর না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফতোয়া বোর্ড। সংগঠনটির পক্ষ থেকে শতাধিক বিশিষ্ট মুফতির স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ আহ্ব ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘গতকালকে আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তাতে এই সংসদে কোনও ডিসেন্ট ভয়েস রেকর্ড করা যায় বলে আমার মনে হয়নি’—উল্লেখ করে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ ১০ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্য বা দেশে ফেরার ঘোষণার সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন দেশটির সাবেক ...
সব মন্তব্য
No Comments