ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ২১ জুন, বিশ্ব সংগীত দিবস। সংগীতের সুরে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তা ও দর্শনকে ছড়িয়ে দিয়ে সবার সাথে মেলবন্ধন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়।
বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ২১ জুন ২০২৪ বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত হয়। দিনটি উপলক্ষ্যে সন্ধ্যা ৬:৩০টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পরিবেশনার মাঝে মাঝে প্রসঙ্গ কথনে অংশ নেন একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক কাজী আফতাব উদ্দিন হাবলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইম রানা, একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ, এবং একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত যন্ত্রসংগীত ‘সানফ্লাওয়ার’। এরপর একাডেমির কণ্ঠশিল্পীরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। সমবেত সংগীতের মধ্যে রয়েছে- আমাকে পোড়াতে যদি, আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে, তুমি কি দেখেছো কভু, তুমি সূতোয় বেধেছে, আকাশের হাতে আছে একরাশ, আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত, আয়নাতে ঐ মুখ, ফুলের কানে ভ্রমর, একি সোনার আলোয়, ভেঙেছে পিঞ্জর, সন্ধ্যার ছায়া নামে, দু:খ ভালবেসে প্রেমের খেলা, ফুলের মালা পড়িয়ে দিলে, গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে, পিঞ্জর খুলে দিয়েছি, দিন যায় কথা থাকে, পিচঢালা এই পথটারে, নীল আকাশের নীচে আমি।
একক সংগীত ‘সময় মন্দ হইলে পরে, সকলে ভাই মন্দ বলে’ পরিবেশন করেন শিল্পী সুরবালা। বিদেশী ভাষার একক সংগীত পরিবেশন করেন নিতা খন্দকার ও নুসরাত জাহান কৃতি। বিদেশী ভাষার সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন ইয়াসমিন আলী।
সমবেত সংগীত ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ এবং ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ পরিবেশন করেন শিল্পী ঝিলিক, হৈমন্তি রক্ষিত, প্রিয়াংকা বিশ্বাস, অনুপমা মুক্তি, কৃষ্ণকলি, অবন্তি সিথি, এলিটা করিম, কর্ণিয়া, আরমিন মুসা, স্বরলিপি, সাব্বির, রজিব, অপু আমান, পুলক অধিকারী, কিশোর দাস, ইউসুফ আহমেদ খান, পান্থ কানাই, কাজী আনান, রাশেদ, অনিমেষ রায়।
সমবেত সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর সংগীত দল। পরিবেশিত সংগীতের মধ্যে রয়েছে আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে, দাও শৌর্য দাও ধৈর্য্য, সত্য বল সুপথে চল, আলো আমার আলো, আমরা সুন্দরের অতন্দ্র, মঙ্গল হোক এই শতকে, আমরা নূতন যৌবনের-ই দূত, আমরা সবাই মঞ্চকুঁড়ি, মনের রঙ লেগেছে, এ মাটি নয় জঙ্গীবাদের, আমি ধন্য হয়েছি, চলো বাংলাদেশ।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ব্যান্ড দল এফ-মাইনর ‘জংলা ফুল’ ও ‘মনে করি আসাম যাবো’ সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন দিলরুবা সাথী ও নুরুল হাসনাত জিলানী। অনুষ্ঠানে যন্ত্রশিল্পী ছিলেন দেবাশীষ দাস, সাইদ ফারূকী চন্দন, সাইদ হাসান বাবু, তানভীর আলম সজীব, ফাহাল হোসাইন গোলন্দাজ, আলমগীর হোসেন।
স্টাফ রিপোর্টার: মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির একদিন পরই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে শুনানি শেষে ...
নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার খালিয়াজুরীর হাওড়ঘেরা জনপদ বল্লী গ্রামে জন্ম তাঁর। শৈশব-কৈশোর কেটেছে হাওড়ের প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাপন ও লোকজ সংস্কৃতির আবহে। সেই শেকড়ের টান আর সংগীতের প্রতি গভীর ভালোবাস ...
মহাসিন মিঞা লিটন, বরিশাল অফিস: গ্রামবাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য নৌকা বাইচকে ঘিরে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয় বরিশালের উজিরপুর। ঢাকঢোলের বাদ্য, বৈঠার ছন্দ আর লাখো দর্শকের উচ্ছ্বাসে শনিবার (৩১ অক্টোবর) মুখরিত হয় ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভীন পপির মা মরিয়ম বেগম মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থ ...
সব মন্তব্য
No Comments