স্টাফ রিপোর্টার: জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদই সরকারের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ—এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মকর্তাদের সব ধরনের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পছন্দের পোস্টিং বা পদোন্নতির জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করলে তা সাময়িক লাভ দিলেও সামগ্রিকভাবে প্রশাসনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, সবসময় নিজের পছন্দের পদে থাকার মানসিকতা থেকেই দুর্নীতি ও অপেশাদার আচরণ জন্ম নেয়। তাই দেশের যেকোনো প্রান্তে, যেকোনো দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির মূল ভিত্তি। একই সঙ্গে প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এ সময় পথের দুই পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং তিনি হাত নেড়ে তা গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরাই সরকারের সঙ্গে জনগণের প্রধান সংযোগ। তাদের সততা ও দক্ষতার ওপর সরকারি কার্যক্রমের সফলতা নির্ভর করে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। অতীতের দুর্বল অর্থনীতি ও প্রশাসনিক বিভাজনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অল্প সময়েই পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে তিনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী-শিশু নির্যাতন রোধে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছে। তাই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদেরও সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
চার দিনব্যাপী এই ডিসি সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য অধিবেশন। ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন এবং প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা যেন জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিফলিত হয়, সেটিই হওয়া উচিত এর মূল উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন আগামী ৬ মে শেষ হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় শনিবার বিকেলে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে এই কম্পন টের পান স্থানীয়রা।আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্র ...
স্টাফ রিপোর্টার: লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক এ তথ্য জানিয়েছেন।আর ...
স্টাফ রিপোর্টার: মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ...
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন বাস কো ...
সব মন্তব্য
No Comments