অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু চার বছরেও মানুষের চলাচলের উপযোগী হয়নি। দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় ২০২২ সালে নির্মাণ শেষ হওয়া সেতুটি এখনো অনেকটা অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এতে উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চরশালেপুরসহ আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুটি নির্মাণের পর যানবাহন চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সড়ক তৈরি না হওয়ায় শুরু থেকেই এর ব্যবহার সীমিত। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি ও কর্মজীবী মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চরশালেপুর এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করা হয় ২০২২ সালে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বানের পর কাজটি পান স্থানীয় ঠিকাদার ফরিদ মোল্লা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি প্রত্যাশিত কাজে আসছে না।
ভ্যানচালক রবিউল শেখ বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সেতুটি নির্মাণ শেষে পড়ে আছে। যানবাহন চলাচল করতে পারে না। দুই পাশে পাকা সড়ক হলে এলাকার মানুষের অনেক উপকার হতো। এখন সড়কের অভাবে মানুষকেও কষ্ট করে চলাচল করতে হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি এভাবেই পড়ে আছে। দ্রুত দুই পাশে সড়ক নির্মাণ করে মানুষের দুর্ভোগ কমানো প্রয়োজন।”
চরহরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্মাণের সময় স্থানীয়দের মধ্যে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ এর সুফল পাচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”
চরভদ্রাসন উপজেলা প্রকৌশলী নাজনীন চৌধুরী বলেন, “আমি দুই-তিন মাস আগে এই উপজেলায় যোগ দিয়েছি। তাই সেতুটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা হয়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, গুরুত্ব দিয়েই দেখা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে এটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত সেতুটির প্রকৃত সুফল ভোগ করতে পারবেন এলাকাবাসী।
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু চার বছরেও মানুষের চলাচলের উপযোগী হয়নি। দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় ২০২২ সালে নির্মাণ শেষ হওয়া সেতুটি এখনো অনেকটা অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এতে উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চরশালেপুরসহ আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুটি নির্মাণের পর যানবাহন চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সড়ক তৈরি না হওয়ায় শুরু থেকেই এর ব্যবহার সীমিত। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি ও কর্মজীবী মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চরশালেপুর এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করা হয় ২০২২ সালে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বানের পর কাজটি পান স্থানীয় ঠিকাদার ফরিদ মোল্লা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি প্রত্যাশিত কাজে আসছে না।
ভ্যানচালক রবিউল শেখ বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সেতুটি নির্মাণ শেষে পড়ে আছে। যানবাহন চলাচল করতে পারে না। দুই পাশে পাকা সড়ক হলে এলাকার মানুষের অনেক উপকার হতো। এখন সড়কের অভাবে মানুষকেও কষ্ট করে চলাচল করতে হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি এভাবেই পড়ে আছে। দ্রুত দুই পাশে সড়ক নির্মাণ করে মানুষের দুর্ভোগ কমানো প্রয়োজন।”
চরহরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্মাণের সময় স্থানীয়দের মধ্যে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ এর সুফল পাচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”
চরভদ্রাসন উপজেলা প্রকৌশলী নাজনীন চৌধুরী বলেন, “আমি দুই-তিন মাস আগে এই উপজেলায় যোগ দিয়েছি। তাই সেতুটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা হয়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, গুরুত্ব দিয়েই দেখা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে এটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত সেতুটির প্রকৃত সুফল ভোগ করতে পারবেন এলাকাবাসী।
নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা শহরের মগড়া নদী উদ্ধারের নামে বৈধ জমির মালিকদের উচ্ছেদের চেষ্টা এবং নদী খনন প্রকল্পে সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নদীতীরবর্তী ভূমির মালিকেরা। এ বিষয়ে হয়রানি বন ...
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি : পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দুটি অবৈধ ইটভাটার স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিযানে বাঁধা ও মব সৃষ্টির অভিযোগে রাজিব হোসেন (৩৫) নামে স্থান ...
আনিছ আহমেদ(শেরপুর )প্রতিনিধিঃ ঝিনাইগাতীতে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ভ্রাম্যমাণ ধান মাড়াইকল গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে হোসাইন আলম (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।রবিবার ( ...
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় ও পুলিশ সূ ...
সব মন্তব্য
No Comments