লুতুব আলি, কলকাতা: ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অদ্রিত পাল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। আজ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উপ-সচিব (পরীক্ষা) উৎপল কৃ. বিশ্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। এবারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার প্রথম দশে স্থান পেয়েছে মোট ৪৭ জন পরীক্ষার্থী। মেধাতালিকায় নজরকাড়া সাফল্য দেখিয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ। প্রথম ১০ জনের মধ্যে ১৭ জনই নরেন্দ্রপুর মিশনের ছাত্র। পুরুলিয়া মিশন থেকে রয়েছে ৯ জন। জেলাভিত্তিক হিসেবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে সর্বোচ্চ ২১ জন, পূর্ব মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগনা থেকে ৫ জন করে, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ৩ জন করে কৃতী উঠে এসেছে। এছাড়া পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মালদা, হাওড়া ও হুগলি থেকে ১ জন করে পরীক্ষার্থী প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে। এবারের মেধাতালিকায় মোট ১০টি জেলার শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।
ফল অনুযায়ী, প্রথম স্থানে আছে অদ্রিত পাল, প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের জিষ্ণু কুন্ডু এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঋতব্রত নাথ ও ঐতিহ্য পাছাল, প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। চতুর্থ স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অনিরুদ্ধ সামন্ত, নম্বর ৪৯৩। পঞ্চম স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঋষি ঘোষ, রাজদীপ ভট্টাচার্য, ঋতব্রত দাস, প্রিয়াংশু মুখার্জি, স্বর্ণাভ খাটুয়া, আলেখ্য মাইতি এবং পূর্ব মেদিনীপুরের সৌমিক দত্ত, সবার নম্বর ৪৯২। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অনুরাগ গাঙ্গুলি, শুভদীপ অধিকারী, প্রত্যুষ মন্ডল, অদ্রিতা পাল, পল্লব কুমার ভৌয়াল, বাঁকুড়ার মণিদীপ মাহাতো, পুরুলিয়ার সৌম্যদ্বীপ খান ও শুভদীপ দিন্দা, বীরভূমের অনিমেষ মুখার্জি এবং মালদার সৌমাল্য রুদ্র, প্রত্যেকের নম্বর ৪৯১।
এ প্রসঙ্গে সংসদের উপ-সচিব উৎপল কৃ. বিশ্বাস বলেন, “১০টি জেলার শিক্ষার্থীরা মেধাতালিকায় আসা প্রমাণ করে রাজ্যের সব জায়গায় শিক্ষার মান বাড়ছে। আবাসিক স্কুলের পাশাপাশি জেলার সরকারি স্কুল থেকেও কৃতীরা উঠে আসছে।” নরেন্দ্রপুর ও পুরুলিয়া মিশনের অধ্যক্ষরা জানান, “শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ আর কঠোর পরিশ্রমই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। ভৌগোলিক অবস্থান কোনো বাধা নয়।” ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল আরও একবার দেখিয়ে দিল, অধ্যবসায় থাকলে বাংলার যেকোনো প্রান্ত থেকেই মেধাবীরা শীর্ষে পৌঁছাতে পারে।
রাজ্যে প্রথম হওয়া অদ্রিত পাল জানায়, “মহারাজদের অনুশাসন আর হোস্টেলের রুটিনই আমার জীবনের গতিপথ ঠিক করে দিয়েছে। বাবা-মা বরানগরে থাকলেও তাদের আশীর্বাদ সবসময় আমার সঙ্গে ছিল। মোবাইল ফোনের বদলে গণিত আর পদার্থবিদ্যার সমীকরণেই ডুবে থাকতাম। আইআইএসসি বেঙ্গালুরু থেকে গবেষণা করে দেশের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখি।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে হল ইউনিট বাঁধনের নবীনবরণ ও রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠান গতকাল ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ব্রিটিশ কাউন্সিল আয়োজিত ফেইমল্যাব অ্যাকাডেমি বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন লন্ডন স্কুল অব ইংলিশের শিক্ষার্থী হুমাইরা তাফসির সারা। রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্প্রতি ১৬ জন গবেষক পিএইচডি, ১৬ জন এমফিল এবং ১ জন ডিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় তাদের এই ডিগ্রি প্রদান করা হয় ...
স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্কাউটিং জনসেবার মনোভাব ও নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরির মাধ্যমে দেশের জন্য আত্মত্যাগ করতে শেখায়। তিনি বলেন, কিভাবে জন ...
সব মন্তব্য
No Comments