বকেয়া বেতনের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার: বকেয়া মজুরির দাবিতে সোমবার, ১৬ জুন সকাল থেকে রাজধানীর মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ করেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধের পর দুপুরের দিকে শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। অবরোধের কারণে মহাখালী, তেজগাঁও, বিজয় সরণি, সাতরাস্তা ও নাবিস্কো মোড় পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
চ্যানেল ২৪ ও নাগরিক টিভির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টার পর নাসা গ্রুপসহ কয়েকটি কারখানার কয়েকশ শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসেন। অবরোধে অংশ নেওয়া বেশিরভাগই নারী শ্রমিক। তারা লাল ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় বসে পড়েন এবং মেগাফোনে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানান। বৃষ্টিভেজা রাস্তায় লোহার ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শ্রমিকরা জানান, দুই থেকে তিন মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। ঈদের আগে বেতন-বোনাস না পাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বারবার মালিকপক্ষের কাছে গিয়েও সমাধান না পেয়ে তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। একজন শ্রমিক বলেন, ‘বাড়ি ভাড়া, বাজার-খরচ কিছুই চালাতে পারছি না। মালিক শুধু তারিখ দেয়, টাকা দেয় না।’
ঘটনাস্থলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নেন। পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এটিএন বাংলা নিউজ ও ডিবিসি নিউজের লাইভ প্রতিবেদনে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তারা মাইকে শ্রমিকদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস পেয়ে দুপুর ১২টার পর শ্রমিকরা ধীরে ধীরে অবরোধ তুলে নেন।
ডেইলি স্টার বাংলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ জুনও একই দাবিতে নাসা গ্রুপের প্রায় ৫০০ শ্রমিক মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ করেছিলেন। সেদিন বিকেল ৪টা থেকে সড়ক বন্ধ ছিল। শ্রমিকদের অভিযোগ, প্রতি ঈদের আগেই বেতন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
অবরোধের কারণে মহাখালী ফ্লাইওভার থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবার গাড়িও আটকে পড়ে। অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেন। সড়ক ছাড়ার পর দুপুর ১টা থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে অফিস ছুটির সময় পর্যন্ত মহাখালী এলাকায় গাড়ির চাপ ছিল।
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাত মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশের বেশি যোগান দেয়। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। শ্রম আইন অনুযায়ী, মাসের কাজ শেষ হওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে মজুরি পরিশোধ বাধ্যতামূলক। তবুও বকেয়া মজুরি, ছাঁটাই ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে প্রায়ই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা যায়।
এ বিষয়ে নাসা গ্রুপ বা সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেতন না পেলে তারা আবারও কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
স্টাফ রিপোর্টার: সারা দেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। রোববার (৮ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের (বিবিএন) মধ্যে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অভিযোজন অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয় ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রয়াত স্বজনের মুখচ্ছবি। কেউ পরিষ্কার করেছেন সমাধি, কেউ ব্যস্ত ছিলেন মঠ ধোয়া-মোছায়। কোথাও নতুন রঙের প্রলেপ, আবার কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সম ...
সব মন্তব্য
No Comments