সুনামির শঙ্কা নেই
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশে মঙ্গলবার ১৬ জুন সকালে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এবং ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল পালু শহর থেকে প্রায় ৪২ থেকে ৪৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে, সিগি রিজেন্সি এলাকায়। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়ায় কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়। চ্যানেল ৭ এইচডি নিউজ এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছেন।
বিএমকেজির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি একটি নরমাল ফল্টের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। পালু, সিগি ও পারিগি মৌতং জেলায় মার্কালি তীব্রতা স্কেল VI থেকে VII অর্থাৎ ‘শক্তিশালী থেকে খুব শক্তিশালী’ কম্পন অনুভূত হয়েছে। মামুজু, মামাসা ও পাসাংকায়ুতে III থেকে IV মাত্রার ‘দুর্বল থেকে মাঝারি’ কম্পন টের পাওয়া গেছে। ইউএসজিএস জানায়, প্রায় ১৬ হাজার মানুষ ‘সিভিয়ার’, ১ লাখ ৬৫ হাজার মানুষ ‘ভেরি স্ট্রং’ এবং ৫ লাখ ৭৪ হাজার মানুষ ‘স্ট্রং’ মাত্রার ঝাঁকুনি টের পেয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ইউএসজিএস ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ জারি করেছে। তাদের ধারণা, ১ থেকে ১০ জনের মৃত্যু এবং ১০ থেকে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। বিএমকেজি নিশ্চিত করেছে, এই ভূমিকম্প থেকে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
ভূমিকম্পের পর পালু শহরের বাসুকি রহমত সড়কে আতঙ্কিত লোকজন ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নারী-শিশুসহ অনেকে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, গাড়ি থেমে গেছে এবং লোকজন ‘নিচে নামো, নিচে নামো’ বলে চিৎকার করছে। তবে তেলুক পালু উপসাগরের পানি স্বাভাবিক ছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাগরে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।
ভূমিকম্পের পর অন্তত তিনটি আফটারশক রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটি ছিল ৫ দশমিক ২ মাত্রার। বিএমকেজি নাগরিকদের শান্ত থাকতে, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র অফিসিয়াল চ্যানেল থেকে তথ্য নিতে অনুরোধ করেছে।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প হয়। এই অঞ্চলে বছরে গড়ে ২৮টির বেশি ৪ মাত্রার ওপর ভূমিকম্প হয়। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর একই অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে ৪ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।
সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহর ও আশপাশের এলাকার বেশিরভাগ ভবন ইট ও কংক্রিটের তৈরি, যা ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে প্রতিরোধী কাঠামোও রয়েছে। কর্তৃপক্ষ আফটারশক ও ভূমিধসের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপানে এক রাতের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে দেশটির মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এ ঘটনায় অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। পরেরটি ছিল ৪ দশমি ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ দেশটির নতুন সরকার গঠনের জন্য সাবেক সেনাপ্রধান ও বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বন্দরগুলোতে চলমান নৌ-অবরোধের পর এবার দেশটির স্থল সীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, সরঞ্জাম ও ব্যক্তিবর্গ, বিশেষ করে পরমাণু বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে তথ্য দিলে তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ ২ ক ...
সব মন্তব্য
No Comments