চিকিৎসায় এক সম্ভাব্য বিপ্লবী প্রযুক্তি
ডেস্ক রিপোর্ট: বিজ্ঞানীরা শরীরের ভেতরে ব্যাক্টেরিয়া ব্যবহার করে ক্যানসার কোষ ধ্বংস করার নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির উপর গবেষণা চালাচ্ছেন, যা ক্যানসারের চিকিৎসায় এক সম্ভাব্য বিপ্লবী প্রযুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও অভিজ্ঞ প্রতিবেদনে এ তথ্য সামনে এসেছে।
বিগত বছরগুলোতে গবেষকরা ব্যাক্টেরিয়া‑ভিত্তিক থেরাপির দিকে নতুন করে মন দেয়ার চেষ্টা করছেন। কিছু ব্যাক্টেরিয়া ক্যানসার টিউমারের ভেতর শুষ্ক অক্সিজেন‑হীন পরিবেশে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ক্যানসারের কোষে আক্রমণ চালাতে পারে — এক ধরণের “জৈবিক অস্ত্র” হিসেবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে Clostridium sporogenes নামক এক ধরণের ব্যাক্টেরিয়া আছে, যা খুব কম অারো্ক্সিজেন পরিবেশেই বেড়ে ওঠে। এই বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়ে গবেষকরা এটিকে টিউমারের ভিতরে প্রবেশ করিয়ে ক্যানসার কোষগুলোর কেন্দ্র অংশ থেকে ধ্বংস করার কাজটি করছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, এতে ব্যাক্টেরিয়া টিউমারের ভেতরেই বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার কোষ নষ্ট করতে সক্ষম হওয়া সম্ভব হতে পারে।
পুরোনো গবেষণাগুলোও দেখিয়েছে, টিউমারের মতো ঘন অক্সিজেন‑হীন পরিবেশ ব্যাকটেরিয়াদের জন্য উপযুক্ত বাসস্থান। গবেষকরা এসব ব্যাক্টেরিয়ার জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে এগুলোকে টিউমারের ভিতর সক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম করছেন, যাতে তারা ক্যানসার কোষগুলো ধ্বংস করতে পারে।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ব্যাক্টেরিয়া‑থেরাপির ভাবনা নিয়ে কাজ করে আসছেন। ১৮৬০ সালে প্রথম এই পদ্ধতির প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গিয়েছিল, তবে পরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশের কারণে এগুলো পিছিয়ে পড়েছিল। এখন আবার আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাক্টেরিয়া‑ভিত্তিক পদ্ধতি নতুন আলোচিত গবেষণা হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে কেমোথেরাপি বা রেডিয়োথেরাপির তুলনায় কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রেখে ক্যানসারের চিকিৎসায় আরও কার্যকর হতে পারে, তবে এটি ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে কার্যকর ও নিরাপদ কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আরও পরীক্ষা‑নিরীক্ষা প্রয়োজন।
এই নতুন জৈবিক পদ্ধতিটি একটি বিকল্প চিকিৎসার পথ খুঁজে দিচ্ছে, যা ক্যানসার চিকিৎসায় গবেষণা ও উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৬ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪৮৯ জন। ১৫ মার্চ থে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘থ্যালাসেমিয়া অদৃশ্য আর নয়, অজানাদের খুঁজি ও সহযোগিতার হাত বাড়াই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পালিত হয়েছে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ২০২৬। দিবস ...
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১২ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৮২ জন। ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৩৮ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৮৬ জন। ...
সব মন্তব্য
No Comments