শেখ মামুনুর রশীদ:
স্বাধীনতা বলতে আমি এটুকুই বুঝি, একটি দেশে প্রত্যেক নাগরিকের রাজনীতি করার, সংগঠন করার ট্রেড ইউনিয়ন করার, সভা-সমাবেশ করার, মত কিংবা ভিন্নমত প্রকাশ করার এবং পছন্দের ব্যক্তিকে নির্ভয়ে-নির্বিগ্নে-নিশ্চিন্তে ভোট দেবার অধিকার থাকতে হবে।
এটাই গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য।
আশাকরি আপনারা যারা প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় যাবত আমাদের বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) কার্যালয়টি ভাঙ্গচুর করেছেন।এরপর জোর করে তালা দিয়ে বন্ধ করে রেখেছেন, তারা অবিলম্বে তা খুলে দেবেন। আমাদের স্বাভাবিক কর্মকান্ড করার সুযোগ দেবেন। কারণ ট্রেড ইউনিয়ন করা আমার-আপনার, আমাদের অর্থাৎ প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মী, সবারই অধিকার।
আপনারা ছাত্র শিবির করেন, ছাত্র সংঘ করেন, ছাত্র শক্তি করেন, ছাত্র সেনা করেন, শিবসেনা করেন, হিযবুত তাহরির করেন, হিযবুত তাওহিদ করেন, সর্বহারা পার্টি করেন- আমাদের কোনো আপত্তি নেই। রাজনীতি করার অধিকার এদেশে সবার।
রাজনৈতিক ভাবেই রাজনীতিকে মোকাবেলা করার অধিকারের নামই গণতন্ত্র। আমরা যারা সরাসরি রাজনীতি করিনা। শতভাগ পেশাকে সময় দিয়ে, এর বাইরে কিছুটা সময় এবং সুযোগ বের করে সহকর্মী সাংবাদিকদের রুটি-রুজির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্রেফ ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত। নিশ্চই আমাদের ট্রেড ইউনিয়ন করার এই অধিকার হরণ করাটাকে স্বাধীনতা বলেনা।
আমরা কেবলমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকারটুকু ফেরত চাই। দলীয় পদধারী (সাবেক ও বর্তমান), দলদাস, ধান্ধাবাজ, দূর্ণীতিবাজ, কালোটাকার মালিক, মদ ব্যবসায়ী, বারের মালিক, লোভী, বাটপার, চরিত্রহীন, সুযোগসন্ধানী, হাইব্রিড এবং সুবিধাভোগী সাংবাদিক ও নেতাদের বাইরে বৈরী স্রোতে হাটা সৎ, সাহসী, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক এবং শতভাগ খেটে খাওয়া পেশাদার সাংবাদিক যারা- তাদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত।
আমরা আইনের শাসন মেনে প্রকৃত অপরাধীর বিচার চাই, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। কিন্তু নিরাপরাধ কোনো সাংবাদিক, সম্পাদক কিংবা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান নেতা যাতে বিনাকারণে মব ট্রায়ালের শিকার না হন। হামলা, মামলা, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানীর শিকার না হন। শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তরবর্তীকালীন বর্তমান সরকারের কাছে তার নিশ্চয়তা চাই।
-লেখক: শেখ মামুনুর রশীদ, যুগ্ম মহাসচিব বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন।
২২.০৯.২০২৪
মোঃ মাহফুজুর রহমান:একটা সময় ছিল গ্রামের অনেক কৃষক সাদা কাগজে টিপসই দিয়ে ভিটেমাটি হারিয়ে পথের ফকির হয়ে যেত । আবার অনেকে ঋণ না নিয়েও ঋণের ফাঁদে পড়তো । কারণ তারা ছিল নিরক্ষর । মানুষের অজ্ঞতার সুযোগকে কাজ ...
এ এম ইমদাদুল ইসলাম:তরুণ বয়সে যে হাত লাঙল ধরেছিল, বার্ধক্যেও সেই হাতেই এখন ধরা থাকে একটি প্লাস্টিকের কার্ড। দেখতে সাধারণ, কিন্তু এর ভেতরে জমা আছে এক কৃষকের পরিচয়, তার জমির হিসাব, প্রাপ্য ভর্তুকি এবং ভব ...
মোঃ কাওসার হোসেন:বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের বহুবার সভাপতি—রাহাদ সুমন। কখনো নির্বাচনের মাধ্যমে, কখনোবা সমঝোতার ভিত্তিতে। এতবার নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, মেধা, গ্রহণযোগ্যতা ...
নিকোলাস বিশ্বাস:নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বিশ্বকে এমন এক বাস্তবতার কথা গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যা আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনো সীমান্ত মানে না। এগুলো জাতীয় সীমান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments