স্টাফ রিপোর্টার: অমর একুশে ভাষা শহিদদের স্বরণে নির্মিত শহিদ মিনার ভাঙচুর,নারী ও শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে আওয়ামী লীগের ভেরিফাই ফেসবুক পেজে এই বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়। এর মাধ্যমে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল এক ঘটনার উদ্ভব হয়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা প্রাপ্ত হয়। আর এই ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশের প্রথম সোপান। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিহাসের পথ-পরিক্রমায় ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতি সুমহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বদেশভূমি শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করে। বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে ভাষা আন্দোলনের অনুপ্রেরণা অনস্বীকার্য। তাই বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি স্মরণ করে আসছে এবং ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত। কিন্তু এ বছর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের ক্ষেত্রে দেশবাসী সম্পূর্ণ এক নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলো। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান একইসাথে শ্রদ্ধা নিবেদন ছিল বিগত বছরগুলোতে অলিখিত রীতি। সেই রীতি ভঙ্গ করে খুনি ফ্যাসিস্ট ডেভিল ইউনূস। রাষ্ট্রপ্রধান শ্রদ্ধা নিবেদনের ১০ মিনিট পর সে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শুধু রীতিগত এই বিষয় নয়, শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পুরো বিষয়টিই একটি ভিন্ন আবহের মধ্য দিয়ে ঘটে। প্রতি বছরের ন্যায় প্রভাতফেরি সহকারে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা মানুষের ঢলও তেমন পরিলক্ষিত হয়নি এবং চির আবেদন সৃষ্টিকারী সেই অমর গান ' আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ' এই গানটিও তেমন বাজানো হয়নি। একুশে ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় একটা উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা থাকলেও অর্ধদিবস পর্যন্ত বইমেলা ছিল প্রায় জনশূন্য।
অমর একুশের কর্মসূচি পালনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর কোনো দরদ ছিল না। তারা শুধু দায়সারা গোছের কর্মসূচি পালন করেছে। কারণ খুনি ফ্যাসিস্ট ডেভিল ইউনূস সরকারের দেশবিরোধী অপশক্তি ও উগ্র-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আজ দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই অশুভ শক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে। তার প্রতিফলন আজকের দিনেও ঘটেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শহিদ মিনার ভাঙ্গা হয়েছে। শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে শহিদ বেদিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে এবং জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। দেশব্যাপী খুন,ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও রাহাজানি লাগামহীনভাবে চলছে। সম্প্রতি প্রায় ৫০জন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীগামী একটি বাসে ডাকাতির পাশাপাশি কমপক্ষে দুজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়। এই ডেভিল সর্দার ফ্যাসিস্ট ইউনূস বাংলাদেশকে খুনের দেশ, ধর্ষণের দেশ, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের দেশে রূপান্তরিত করেছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে রাজনৈতিক কর্মীদের নির্বিচারে কারান্তরীণ করেছে। অথচ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ফুল সংগ্রহ করতে যাওয়া চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের শিকার হতে হয়। এই অবৈধ অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার জানমালের নিরাপত্তা তো দিতেই পারছে না। পাশাপাশি মানুষের জান ও জবানের এবং নারী ও শিশুর সম্ভ্রমের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। অধিকন্তু মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। যে সরকার মানুষের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় সেই গনবিরোধী সরকার কোনোভাবেই ক্ষমতায় থাকতে পারে না। যেখানে মানুষের মুক্ত চিন্তার অধিকার নেই, বাকস্বাধীনতা নেই সেখানে ভাষার উৎকর্ষ সাধিত হয় না। বাংলা ভাষার মান-মর্যাদা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে এই অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ডেস্ক রিপোর্ট: মহান ‘জুলাই শহীদ’ দিবসে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখা সংগঠন ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেত ...
স্টাফ রিপোর্টার: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাব তো ...
স্টাফ রিপোর্টার:সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কার্যপরিধি নিয়ে বিরোধী দলের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহ ...
স্টাফ রিপোর্টার: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানিয়েছেন, ধনী ব্যক্তি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করছে সরকার। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নি ...
সব মন্তব্য
No Comments