আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এপ্রিলে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনার জেরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড। তবে দক্ষিণ লেবাননসহ যেকোনো জায়গায় আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আগের চেয়ে ‘আরও কঠোর ও বিধ্বংসী’ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। সোমবার (৮ জুন ২০২৬) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয় খাতামুল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলকে ‘বেদনাদায়ক জবাব’ দেওয়া হয়েছে এবং সে অনুযায়ী ‘সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে’। তবে জোর দিয়ে বলা হয়, যদি দক্ষিণ লেবাননসহ অন্য কোথাও আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইরানের সামরিক কমান্ড জানায়, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় ইসরাইলি হামলার জবাবে এই ‘বেদনাদায়ক জবাব’ দেওয়া হয়েছে। খাতামুল আম্বিয়া সদর দপ্তর আরও জানায়, ‘সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হলো’, তবে আগ্রাসন চললে ‘আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৭ জুন রবিবার রাত থেকে ইরান ইসরাইলের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যা এপ্রিল ২০২৬-এর যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের প্রথম সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ইরানি কর্মকর্তারা জানান, বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি বিমান হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপর ৮ জুন ইসরাইল পশ্চিম ও মধ্য ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা বিমান হামলা চালায়।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছিল, তারা ‘অপারেশন নাসর’-এর অংশ হিসেবে ‘পুরো এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত হামলা’ চালাবে। তবে সোমবার ইরানের সামরিক কমান্ড অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক্স-এ লিখেছেন, দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও জনগণের শান্তি’ এবং ইরান ‘কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না’।
এর আগে ৮ এপ্রিল ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হয়। ওই যুদ্ধবিরতির আওতায় হিজবুল্লাহও ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে ইসরাইল লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখার অভিযোগ তুলে ইরান ৭ জুন নতুন করে হামলা চালায়।
খাতামুল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ও ইরানি সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক অভিযান সমন্বয় করে। গত ১৩ জুন ২০২৫-এ শুরু হওয়া ‘বারো দিনের যুদ্ধে’ এই সদর দপ্তরের কমান্ডাররা ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছিলেন এবং পরে মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি আলী আবাদী দায়িত্ব নেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে গভীর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনি অভিভাবকরা। বিবিসির ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরপ্রদেশে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৬ থেকে ২২ জন। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে প্রদেশটির বাগপত জেলার পূর্বাঞ্চলীয় ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিম আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দেতে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই স্কুলশিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরী। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের একটি কার্গো বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। স্থ ...
সব মন্তব্য
No Comments