স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিছি, এটিও আমার দোষ। এটি নাকি আমি হুমকি দিয়েছি।আমি তাদের কথায় ভীত। কোথায় কি হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের।
তিনি বলেন, আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহর জুড়ে আমার বন্ধু-আত্মীয়স্বজন আছে। আমার যত ভক্ত আছে তোমাদের আত্মীয়স্বজনও তত নেই। যে যত কথাই বলুক আমি তাদের ফাঁদে পা দিবো না। আমার ভোট আমি চাইবো, তুমিও ভোট চাও। এলাকার জন্য কি করেছো আর কি করবে বলো। তোমরা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছো।
মঙ্গলবার রাজধানীর মালিবাগ গুলবাগে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণাকে তিনি এসব কথা বলেন। পরে মির্জা আব্বাস শাহজাহানপুর মালিবাগ ১ম লেন থেকে মৌচাক মোড় হয়ে মালিবাগ মোড় থেকে রাজারবাগ পুলিশ গেট গণসংযোগ করেন। বিকালে তিনি ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন। সন্ধ্যায় তিনি শাহজাহানপু ঝিল মসজিদ এলাকায় এবং রাতে ফকিরেরপুল, আরামবাগ পানির ট্যাংকি গলিতে গণসংযোগ করবেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচনের সময় কিছু অতিথি পাখি দেখা যায়। পরে আর পাওয়া যায় না। ৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কেউ পারবে না আমাকে পাওয়া যায়নি। যখন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, তখন হাত উচিয়ে এ এলাকার মানুষ সমর্থন দিতেন। পুলিশী হামলা হলে বিভিন্ন মার্কেটে আশ্রয় নিয়েছি। অন্য প্রার্থী কি আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন? আপনাদের কাজ শুধু কুৎসা রটানো।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমি অনেকবার এমপি ছিলাম। কেউ বলতে পারবে না আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে। কিন্তু আমি যা পারবো না তা কখনও আশ্বাস দেইনি। মিথ্যা আশ্বাস আমি দেই না। আমি ফেরেস্তা না। তবে, কারও ক্ষতি করার জন্য মিথ্যা বলি না।
তিনি বলেন, কিছু মাছের পোনা এসেছে। এদের ঠিকানা কি? আমি যখন জেলে গিয়েছিলাম তখনও আমার বাসায় বিভিন্ন প্রয়োজনে এলাকার মানুষ আমার বাসায় গেছে। আমার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করেছে। আজকে লম্বা লম্বা কথা বলছেন, কয়জনকে সাহায্য করেছেন! এলাকার কতজনের জানাযায় গেছেন, কয়জনের বিয়ের অনুষ্ঠানে গেছেন? আবার বলেন আমার এলাকা!
মির্জা আব্বাস বলেন, একজন বলছে চাঁদাবাজি না কমালে লাল কার্ড দেখাবে। আরে চাঁদাবাজিতো আপনারা করছেন। চাঁদাবাজি তকমা দিয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। চাঁদাবাজদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না! যারা লাল কার্ড দেখানোর কথা বলছেন ১২ তারিখে জনগণই আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে।
তিনি বলেন, ভাবটা এমন যেন বিএনপি ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগকে যেভাবে সরানো হয়েছে বিএনপিকেও সেভাবে তাড়ানো হবে। বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি। সবকিছুতেই বিএনপির দোষ। দেশে এখন থেকেই অশান্তি পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।
স্টাফ রিপোর্টার: সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে জাতী ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে জাতীয় সংসদে ব্যাপক হট্টগোল হয়েছে। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বক্তব্য দিলে সরকারি দলের সদস্যরা হইচই-হট্টগোল করে প্রতিবাদ জানান। এ স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্ব পরিমণ্ডলে এককেন্দ্রিক আধিপত্য ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে সকল রাষ্ট্রের সমঅধিকার, মর্যাদা ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সময় এসেছে বলে মনে করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। বিশ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এই দাবি জানান। ...
সব মন্তব্য
No Comments