স্টাফ রিপোর্টার: ৫ আগস্টের পর থেকে একটি দল দেশজুড়ে চাঁদাবাজি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর (শায়খে চরমোনাই) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, জীবন বাজি রেখে বুলেটের সামনে ছিলাম আমরা। জীবনের মায়া ত্যাগ করে ভেবেছিলাম এবার মানুষ মুক্তি পাবে, শান্তি পাবে।
কিন্তু কী দেখলাম? রাস্তায় ছিলাম আমরা, আর এখন রাস্তায় গুন্ডামি-মাস্তানি করে চাঁদাবাজি করছে অন্যেরা। এই চাঁদাবাজির জন্য আমরা আন্দোলন করিনি, জুলুম-অত্যাচার করার জন্য আন্দোলন করিনি, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য আন্দোলন করিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশের মানুষ ভেবেছে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মুক্তি আসবে। কিন্তু ১৯৭০-এর নির্বাচন থেকে শুরু করে ১৯৭৩, ১৯৮১, ১৯৯১ ও পরবর্তী সব নির্বাচনে মানুষ প্রতারিত হয়েছে। শুধু নির্বাচন শান্তি দিতে পারে না। বারবার দেখা গেছে নির্বাচন ক্ষমতার লড়াইকে ঘিরে প্রহসনে পরিণত হয়েছে। এখন প্রয়োজন নেতৃত্বের পরিবর্তন নয়, নীতির পরিবর্তন।
তিনি আরও বলেন, “ইসলাম যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে তবে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের গরিব মানুষ দরিদ্রসীমার ওপরে উঠে আসবে। সবাইকে পরীক্ষা করেছেন, ফেল করেছে। একবার ইসলামকে পরীক্ষা করুন। আমরা ফেল করলে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার জন্য আসব না।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ইসলাম ও রাজনীতি আলাদা নয়। আমাদের নবী (সা.) রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, খোলাফায়ে রাশেদীনরাও রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। অথচ আজ মানুষ প্রশ্ন তোলে হুজুররা কেন রাজনীতি করে? আসলে ইসলাম গরিবদের মুক্তির জন্য এসেছে। ইসলামের গোটা অর্থনীতি সাজানো হয়েছে গরিবদের জন্য। ইসলাম ক্ষমতায় এলে গরিবরাই প্রথম মুক্তি পাবে।
আন্দোলনের সময় বড় বড় রাজনৈতিক নেতারা রাস্তায় ছিলেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফয়জুল করীম বলেন, “ফখরুল সাহেব ছিলেন না, সালাহউদ্দিন সাহেব ছিলেন না, তারেক রহমান দেশেই ছিলেন না, জামায়াতের কোনো বড় নেতা রাস্তায় ছিলেন না। রাস্তায় ছিলাম আমরা, জীবন বাজি রেখে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম আমরা। অথচ আজ দেখা যাচ্ছে আন্দোলনের ফসল ভোগ করছে অন্যেরা।
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন দিতেই হবে। এছাড়া পূর্বের ন্যায় জগাখিচুড়ি নির্বাচন করা যাবে না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি এম এইচ মোস্তফার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দেলোয়ার হোসাইন সাকী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মো. মাহবুবুর রহমান প্রমূখ।
স্টাফ রিপোর্টার: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানিয়েছেন, ধনী ব্যক্তি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করছে সরকার। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নি ...
রংপুর অফিস: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে রংপুর ...
স্টাফ রিপোর্টার: সদ্য প্রয়াত জাসদের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক এমপি জননেতা মোশাররফ হোসেনের শোকসভা আজ শনিবার বিকাল ৪টায় নগরীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে অনুষ্ঠি ...
স্টাফ রিপোর্টার: শোষন ও লুটপাট করে যারা পালিয়ে যায় দেশের সেসব শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপ ...
সব মন্তব্য
No Comments