ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“মহিমান্বিত ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই।
মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করি, যিনি মানবজাতির হেদায়েত, কল্যাণ ও মুক্তির জন্য সর্বশেষ নবি ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তাঁর প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও যুগান্তকারী ঘটনা। তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির জন্য ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ ও মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন। মহানবি (সা.)-এর ওপর মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পবিত্র কুরআন নাজিল হয় এবং তাঁর মাধ্যমে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়। মহান আল্লাহ মহানবি (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন ‘সমগ্র জগতের জন্য রহমত’ হিসেবে। পবিত্র কুরআনে তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ বলে ‘নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী’(সুরা আল-কলম, ৪)। মানবমুক্তির এই দিশারি তাঁর অনুপম চরিত্র, মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং ন্যায়, শান্তি ও কল্যাণের চিরন্তন আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। তাঁর জীবন ও আদর্শ চিরকাল মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।
মহানবি (সা.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি এতিম, দরিদ্র, অসহায়, বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। নারী, শিশু, প্রতিবেশী, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে দিয়ে গেছেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। বিদায় হজের ভাষণের মাধ্যমে তিনি মানবিক মার্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায় ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার যে শিক্ষা দিয়েছেন, তা সর্বজনীন ও সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বদা অনুসরণীয়।
বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসিহষ্ণুতায় বিপর্যন্ত বিশ্বে মহানবি (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ ততোধিক প্রাসঙ্গিক। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবির এই পবিত্র ও মহিমান্বিত সময়ে আসুন, আমরা তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করি এবং শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। কায়মনোবাক্যে দোয়া করি, বাংলাদেশ ও পৃথিবীর সকল মানুষের উপর আল্লাহর রহমত, বরকত, অপার শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক।
আল্লাহ হাফেজ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”
এটার একটা হেড লাইন করে দাও
ডেস্ক রিপোর্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্বশীল ও বৈশ্বিক বহুপা ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী দিনেশ ত্রিবেদী। আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকায় ভারতীয় হ ...
স্টাফ রিপোর্টার: গ্যাসের সংকট কেটে গেলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার সচিবালয়ে সর ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হবে না বলে ঢাকাকে জানিয়ে দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম বায়ান্ন নিউজে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার বর ...
সব মন্তব্য
No Comments