ডেস্ক রিপোর্ট: আজ বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ এই দিনটি প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয়। সেই হিসেবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে ১০ মে। যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির সূচনা হলেও বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে সারা বিশ্বেই পালিত হয়। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ‘গরবিনী মা ২০২৬’ সম্মাননা প্রদান করবে। মহাখালী ডিওএইচএস-এ রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সন্তানরা মায়ের প্রতি ভালোবাসা জানাতে আজ ফুল, শাড়িসহ বিভিন্ন উপহার দিয়ে মাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। মা দিবস শুধু নির্দিষ্ট দিনেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন মা যেভাবে তার সন্তানকে যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তোলেন, সে ঋণ কোনো দিনই শোধ করা যাবে না। মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও যত্ন শুধু দিবসের মধ্যে না রেখে নিঃশর্তভাবে ভালোবাসাই সন্তানদের দায়িত্ব। দিবসটি ঘিরে নগরীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টসহ পোশাকের ব্র্যান্ড বিশেষ মূল্যছাড়ের আয়োজন করেছে। মা দিবসের ইতিহাস অনেক বছরের পুরোনো। মধ্যযুগে ইউরোপে একটি প্রথা ছিল, যেখানে কর্মসূত্রে দূরে থাকা মানুষ লেন্টের চতুর্থ রোববারে নিজ বাড়ি ও মায়ের কাছে ফিরে আসতেন। সেই সময় ১০ বছর বয়স থেকেই অনেককে কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকতে হতো। ফলে এই দিনটি পরিবারে ফিরে এসে একত্র হওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করত। ব্রিটেনে এটি ‘মাদারিং সানডে’ নামে পরিচিত ছিল। আধুনিক মা দিবসের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। সমাজকর্মী অ্যান রিভস জার্ভিস নারীদের সংগঠিত করে শিশুস্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক সচেতনতা নিয়ে কাজ করছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, পরিবার ও সমাজের জন্য মায়ের অবদানকে সম্মান জানাতে একটি দিন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ১৯০৫ সালের ৫ মে তিনি মারা যান। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জার্ভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্যোগী হন। ১৯০৭ সালে তিনি স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মাদার্স ডে’ হিসেবে ঘোষণা দেয়। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় ও সবচেয়ে বড় নির্ভরতার নাম। সামান্য কষ্ট বা ভয় পেলেও মানুষ অজান্তেই মাকে ডাকে। মায়ের স্নেহ, মমতা আর ত্যাগের তুলনা হয় না কোনো কিছুর সঙ্গে। আজকের এই দিনে পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা। সব মা সুস্থ, নিরাপদ ও ভালো থাকুক— এটাই বিশ্ব মা দিবসের প্রত্যাশা।
স্টাফ রিপোর্টার: সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান ও আস্থা পুনঃস্থাপন, নামাজ কায়েম এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। সংসদ সদস্যদ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল রুটে ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ পাওয়ার বিষয়ে সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতী ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।তিনি আজ বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজ ...
সব মন্তব্য
No Comments