সামসুল আলম সজ্জন: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত ১৪৫টি দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’সহ ১৬টি নতুন রাজনৈতিক দল প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
রবিবার (১০ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, ’এনসিপিসহ ১৬টি দলকে আমরা মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তালিকা করেছি। সেখান থেকে তদন্ত রিপোর্ট এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ২২ জুন পর্যন্ত ইসিতে নিবন্ধন পেতে ১৪৫টি দল মোট ১৪৭টি আবেদন করে। সেইসময় প্রাথমিক বাছাইয়ে কোনো দলই শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এরপর সবগুলো দলকে প্রয়োজনীয় ঘাটতি পূরণে ইসি ১৫ দিন সময় দেয় । ৩ আগস্ট শেষ সময় পর্যন্ত এনসিপিসহ ৮০টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত পূরণের লক্ষ্যে ইসিতে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেয়। এরপর যাচাইয়ে অন্তত ১৬টি দল প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হয়।
নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দলগুলোর আবেদন পাওয়ার পর কমিশন প্রথমে এগুলো বাছাই করে। এই বাছাইয়ে উত্তীর্ণ দলগুলোর তথ্যাবলি সরেজমিন তদন্ত শেষে বাছাই সম্পন্ন করে টিকে থাকা দলগুলোর বিষয়ে কোনো আপত্তি রয়েছে কিনা, তা জানতে চেয়ে কমিশনের পক্ষ হতে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এরপর কোনো আপত্তি এলে শুনানি করে তা নিষ্পত্তি করা হয়। আর কোনো আপত্তি না থাকলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে নিবন্ধন সনদ প্রদান করে ইসি। নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করা হয়। এ জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন শীর্ষক নতুন বিধান যুক্ত করা হয়।
ওই আইন অনুযায়ী, কোনো দলকে নিবন্ধন পেতে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় দলীয় কার্যালয় এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন (মহানগর) থানায় কার্যালয় থাকতে হবে। প্রতিটি কার্যালয়েই ন্যূনতম ২০০ জন ভোটার তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।
নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন সম্প্রতি এসব শর্তে পরিবর্তন আনার সুপারিশ করেছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেওয়া কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নিবন্ধন পেতে একটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থাকতে হবে। অন্তত এক-দশমাংশ জেলায় উক্ত দলের কার্যকর জেলা কার্যালয় এবং অন্তত ৫ শতাংশ উপজেলায় বা ক্ষেত্র মতে মেট্রোপলিটন থানায় তাদের কার্যালয় থাকতে হবে। দলের সদস্য হিসেবে ন্যূনতম পাঁচ হাজার ভোটার নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট দলের তালিকাভুক্ত থাকতে হবে। যদিও এই সুপারিশ অনুসারে আরপিওর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন না হওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন বিদ্যমান আইন অনুসারেই রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা বর্তমানে ৫১টি (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগসহ)।
স্টাফ রিপোর্টার: বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে পরিবার। রোববার (১৩ সেপ্টেম ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে কেবল হাসপাতাল বা চিকিৎসা নির্ভর না করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিরোধমুখী কাঠামো হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্র ...
স্টাফ রিপাের্টার: দক্ষিণ ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ব ...
স্টাফ রিপোর্টার: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য, গুজব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও ...
সব মন্তব্য
No Comments