ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিক্স ও চা-পাতা জব্দ
যশোর অফিস: যশোর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিক্স সামগ্রী ও চা-পাতা জব্দ করেছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)। উদ্ধার হওয়া এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ লাখ ২১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) ভোর থেকে দিনব্যাপী যশোর সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবির বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয় এবং সন্দেহভাজন চোরাচালান রুটগুলোতে নজরদারি বাড়ায়। পরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ৬৬টি শাড়ি, ৯ কেজি চা-পাতা এবং ২০৯টি বিভিন্ন ধরনের বিদেশি কসমেটিক্স সামগ্রী। এসব পণ্য অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে দেশের অভ্যন্তরে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিশেষ করে ভারতীয় শাড়ি ও কসমেটিক্সের চাহিদা বেশি থাকায় চোরাকারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে এসব পণ্য পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোর ও বেনাপোল সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালানকারীদের একটি সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র ভারতীয় পণ্য, মাদক, প্রসাধনী সামগ্রী, কাপড় ও ইলেকট্রনিক পণ্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও চোরাকারবারিরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করছে।
এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে ভবিষ্যতেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ধারাবাহিক অভিযানে চোরাকারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় চোরাচালান কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে সংঘবদ্ধ চক্রগুলো এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং সুযোগ পেলেই অবৈধ পণ্য পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; এর সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাও জরুরি। একইসঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকার তরুণদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে চোরাচালান নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসতে পারে।
উদ্ধার হওয়া পণ্যসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক বাধার মুখে তাদে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত জাপান গার্ডেন সিটির অভ্যন্তরীণ ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের ত্রুটির কারণে কয়েকদিন ধরে চলা বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপ ...
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আসামির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানা পরিদর্শন করে আহত পুলিশ সদস্যদের খোঁজ খবর নিয়েছেন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্যমন্ত্রী এম ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলার গরু নিয়ে করতোয়া নদী পার হওয়ার সময় স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে যান গুল মোহাম্মদ আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধ। শনিবার(১১ জুলাই) উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের বোদাপাড়া এলাকা এঘটনা ...
সব মন্তব্য
No Comments